২০২২ সালের ২৬ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকেই দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী লঞ্চ সেক্টরে নেমে আসে বড় ধরনের ধস। সড়কপথে যাতায়াত সহজ হওয়ায় যাত্রী সংকটে পড়ে নদীপথের বহু রুট। এর ধারাবাহিকতায় একে একে বন্ধ হয়ে যায় সুরভি–৭, কীর্তনখোলা–২, কালাম খানসহ উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন রুটের প্রায় দুই শতাধিক লঞ্চ।
এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন হলো মেসার্স সালমা শিপিং লাইন্সের বহরে থাকা লঞ্চ কীর্তনখোলা–১০। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তেলের বিল বকেয়া থাকা এবং নিয়মিত লোকসানের কারণে লঞ্চটি গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আওলাদ শিপিং লাইন্সের মালিক আওলাদ সাহেব কিনে নেন।
এ বিষয়ে আওলাদ শিপিং লাইন্সের মালিক আওলাদ সাহেবের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, লঞ্চটি খুব শিগগিরই বরিশালবাসীর জন্য এক চমকপ্রদ আয়োজন নিয়ে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করবে। লঞ্চটিতে থাকবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উন্নতমানের কেবিন, ইন্টারনেট স্টারলিং সুবিধা এবং ডেকে যাত্রীদের জন্য উল্লেখযোগ্য মানসম্মত সেবা।
লঞ্চটির নতুন নাম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে আওলাদ–১১ কিংবা কাজল–১১ নামে সার্ভে করানো হতে পারে।”
এদিকে, এ বিষয়ে মেসার্স সালমা শিপিং লাইন্সের ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
নদীপথের যাত্রীসেবায় নতুন এই উদ্যোগ কতটা প্রাণ ফেরাতে পারে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে বরিশালবাসী।
ইমরান হোসেন কামাল 
















