আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের জন্য ১০টি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও বিশেষ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়।
🩺 নির্বাচনকালীন মেডিক্যাল টিম গঠন
নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে দেশব্যাপী পর্যায়ভিত্তিক মেডিক্যাল টিম গঠন করতে হবে। এর মধ্যে—
সিটি করপোরেশন পর্যায়ে: ৬টি
বিভাগীয় পর্যায়ে: ৪টি
জেলা পর্যায়ে: ৩টি
উপজেলা পর্যায়ে: ২টি
ইউনিয়ন পর্যায়ে: ১টি করে
মোট মেডিক্যাল টিম গঠন বাধ্যতামূলক। জনবল ও প্রয়োজন বিবেচনায় টিমের সদস্য নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক।
🚑 জরুরি বিভাগে বাড়তি প্রস্তুতি
নির্বাচনকে সামনে রেখে—
জরুরি বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ
সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুল্যান্স প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
👨⚕️ প্রতিষ্ঠান প্রধানদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক
নির্দেশনায় বলা হয়েছে—
সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো কারণে ছুটিতে থাকলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে।
🏥 বেসরকারি হাসপাতালের জন্য বিশেষ নির্দেশ
বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—
নির্বাচনকালীন সময়ে চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতিতে জরুরি বিভাগ চালু রাখতে হবে। রোগী রেফার্ড করার ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসা ও যথাযথ কাউন্সেলিং নিশ্চিত করতে হবে।
⚠️ জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয়
যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে—
স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা দিতে হবে।
জরুরি বিভাগ, অন্তঃবিভাগ, ল্যাব, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টার নিয়মিত চালু রাখতে হবে।
📞 ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু
নির্বাচনকালীন সময়ে—
বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়
সিভিল সার্জন কার্যালয়
এ দু’টি পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই নির্দেশনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সময়ে যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসাধারণের স্বাস্থ্যসুরক্ষা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মোঃ রাকিব খান 






















