০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা বসানোর অভিযোগে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালজুড়ে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে শনাক্ত করেন। পরে তাকে হাসপাতাল পরিচালকসহ অবরুদ্ধ করে রাখেন ক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

টামেক হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুস জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখনো মামলা হয়নি, তবে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমীন গণমাধ্যমকে জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

শিক্ষার্থীদের সমকামিতায় প্রলুব্ধ করার অভিযোগে চিফ ইন্সট্রাক্টরের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক

Update Time : ০৯:৩৯:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা বসানোর অভিযোগে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালজুড়ে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে শনাক্ত করেন। পরে তাকে হাসপাতাল পরিচালকসহ অবরুদ্ধ করে রাখেন ক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

টামেক হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুস জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখনো মামলা হয়নি, তবে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমীন গণমাধ্যমকে জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।