০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাকেরগঞ্জের নিয়ামতিতে চোরের তাণ্ডব: এক রাতেই তিন বাড়িতে চুরি

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ নং নিয়ামতি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের রামনাগর গ্রামের হাওলাদার পাড়ায় চোরের উৎপাত উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এলাকাবাসীর দাবি, এক রাতেই তিনটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. বাচ্চু হাওলাদারের চাচা মো. রফিক হাওলাদারের বাড়িতে সিঁধ কেটে প্রবেশ করে চোরেরা। আনুমানিক রাত ৩টার দিকে সংঘটিত এ ঘটনায় নগদ প্রায় ২০ হাজার টাকা এবং কিছু জামাকাপড় চুরি হয়েছে।

একই এলাকায় মো. জালাল মল্লিকের বাড়িতেও সিঁধ কেটে ঢোকে চোরেরা। তবে মূল্যবান কোনো সামগ্রী না পেয়ে তারা ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখে যায়। ভোরে ঘুম থেকে উঠে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পান।

এ ছাড়া আব্দুস সুবাহান খানের বাড়িতেও চুরির ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে ২ লিটার সয়াবিন তেল ও কিছু জামাকাপড় চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে। চোরেরা ঘরের অন্যান্য জিনিসপত্রও এলোমেলো অবস্থায় রেখে যায়। পরিবারের সদস্যরা সকালে ঘুম থেকে উঠে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন।

এলাকাবাসী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে রাত হলেই চোরের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে। তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং এলাকায় নিয়মিত পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

বরিশালের হিজলা উপজেলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

বাকেরগঞ্জের নিয়ামতিতে চোরের তাণ্ডব: এক রাতেই তিন বাড়িতে চুরি

Update Time : ০৯:১৫:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ নং নিয়ামতি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের রামনাগর গ্রামের হাওলাদার পাড়ায় চোরের উৎপাত উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এলাকাবাসীর দাবি, এক রাতেই তিনটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. বাচ্চু হাওলাদারের চাচা মো. রফিক হাওলাদারের বাড়িতে সিঁধ কেটে প্রবেশ করে চোরেরা। আনুমানিক রাত ৩টার দিকে সংঘটিত এ ঘটনায় নগদ প্রায় ২০ হাজার টাকা এবং কিছু জামাকাপড় চুরি হয়েছে।

একই এলাকায় মো. জালাল মল্লিকের বাড়িতেও সিঁধ কেটে ঢোকে চোরেরা। তবে মূল্যবান কোনো সামগ্রী না পেয়ে তারা ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখে যায়। ভোরে ঘুম থেকে উঠে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পান।

এ ছাড়া আব্দুস সুবাহান খানের বাড়িতেও চুরির ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে ২ লিটার সয়াবিন তেল ও কিছু জামাকাপড় চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে। চোরেরা ঘরের অন্যান্য জিনিসপত্রও এলোমেলো অবস্থায় রেখে যায়। পরিবারের সদস্যরা সকালে ঘুম থেকে উঠে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন।

এলাকাবাসী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে রাত হলেই চোরের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে। তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং এলাকায় নিয়মিত পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করা জরুরি হয়ে পড়েছে।