০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাকেরগঞ্জের দুধল ইউনিয়নে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৪নং দুধল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দিবাগত রাত (২ আগস্ট) আনুমানিক রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যে সংঘটিত এ ঘটনায় নগদ অর্থসহ ঘরের বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ৪নং ওয়ার্ডে গুলজার শরীফের বাড়ির সামনে বসবাসকারী মো. শপন হাওলাদারের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকায় দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুধল ইউনিয়নে বাড়ি ফাঁকা পেলেই চোরচক্র সক্রিয় হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে।

এলাকাবাসীর মতে, জনবসতি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা, রাতের বেলায় নিয়মিত পুলিশ ও গ্রাম পুলিশের টহলের অভাব এবং সুযোগসন্ধানী চোরচক্রের তৎপরতার কারণে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে দুধল ইউনিয়নে রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, নিয়মিত পুলিশি টহল বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

শিক্ষার্থীদের সমকামিতায় প্রলুব্ধ করার অভিযোগে চিফ ইন্সট্রাক্টরের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

বাকেরগঞ্জের দুধল ইউনিয়নে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী

Update Time : ১২:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৪নং দুধল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দিবাগত রাত (২ আগস্ট) আনুমানিক রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যে সংঘটিত এ ঘটনায় নগদ অর্থসহ ঘরের বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ৪নং ওয়ার্ডে গুলজার শরীফের বাড়ির সামনে বসবাসকারী মো. শপন হাওলাদারের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকায় দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুধল ইউনিয়নে বাড়ি ফাঁকা পেলেই চোরচক্র সক্রিয় হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে।

এলাকাবাসীর মতে, জনবসতি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা, রাতের বেলায় নিয়মিত পুলিশ ও গ্রাম পুলিশের টহলের অভাব এবং সুযোগসন্ধানী চোরচক্রের তৎপরতার কারণে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে দুধল ইউনিয়নে রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, নিয়মিত পুলিশি টহল বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।