০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনে ঘূর্ণায়মান গেট: রোগীদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে প্রবেশ ও বহির্গমন সংকট

বরিশালের -এর মেডিসিন বিভাগের নতুন ভবনে স্থাপিত ঘূর্ণায়মান (রিভলভিং) গেট নিয়ে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, গেটটির নকশা ও ব্যবহার পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় প্রতিদিনই অনেক রোগী প্রবেশ ও বহির্গমনের সময় বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কোন দিক দিয়ে প্রবেশ করতে হবে এবং কোন দিক দিয়ে বের হতে হবে—এ বিষয়ে পরিষ্কার নির্দেশনা না থাকায় রোগীদের অনেকেই গেটের সামনে দাঁড়িয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান। এতে একদিকে যেমন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে রোগীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনেক রোগী গেটের ব্যবহার বুঝতে না পেরে অন্য রোগীর সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ ঘূর্ণায়মান স্টেইনলেস স্টিল (SS) পাইপের গেটের আঘাতেও আহত হচ্ছেন। বিশেষ করে বয়স্ক, অসুস্থ ও শারীরিকভাবে দুর্বল রোগীদের জন্য বিষয়টি আরও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

রোগী ও স্বজনদের দাবি, হাসপাতালের মতো জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে সহজ, নিরাপদ ও রোগীবান্ধব প্রবেশপথ নিশ্চিত করা জরুরি। তাই বর্তমান ঘূর্ণায়মান গেট অপসারণ করে সাধারণ মানুষের জন্য আরও উপযোগী ও সহজে ব্যবহারযোগ্য গেট স্থাপনের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, রোগীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

সংগঠনকে ত্বরান্বিত করতে ৮ নং নলুয়া ইউনিয়ন বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনে ঘূর্ণায়মান গেট: রোগীদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে প্রবেশ ও বহির্গমন সংকট

Update Time : ০৪:২৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

বরিশালের -এর মেডিসিন বিভাগের নতুন ভবনে স্থাপিত ঘূর্ণায়মান (রিভলভিং) গেট নিয়ে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, গেটটির নকশা ও ব্যবহার পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় প্রতিদিনই অনেক রোগী প্রবেশ ও বহির্গমনের সময় বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কোন দিক দিয়ে প্রবেশ করতে হবে এবং কোন দিক দিয়ে বের হতে হবে—এ বিষয়ে পরিষ্কার নির্দেশনা না থাকায় রোগীদের অনেকেই গেটের সামনে দাঁড়িয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান। এতে একদিকে যেমন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে রোগীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনেক রোগী গেটের ব্যবহার বুঝতে না পেরে অন্য রোগীর সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ ঘূর্ণায়মান স্টেইনলেস স্টিল (SS) পাইপের গেটের আঘাতেও আহত হচ্ছেন। বিশেষ করে বয়স্ক, অসুস্থ ও শারীরিকভাবে দুর্বল রোগীদের জন্য বিষয়টি আরও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

রোগী ও স্বজনদের দাবি, হাসপাতালের মতো জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে সহজ, নিরাপদ ও রোগীবান্ধব প্রবেশপথ নিশ্চিত করা জরুরি। তাই বর্তমান ঘূর্ণায়মান গেট অপসারণ করে সাধারণ মানুষের জন্য আরও উপযোগী ও সহজে ব্যবহারযোগ্য গেট স্থাপনের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, রোগীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।