৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাকেরগঞ্জে ৪০০ বছরের ঐতিহ্য বহন করছে মুগা খান জামে মসজিদ

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি গ্রামে অবস্থিত প্রাচীন মুগা খান জামে মসজিদ প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে এখনো নিজস্ব ঐতিহ্য বহন করে দাঁড়িয়ে আছে। মুঘল আমলে নির্মিত এই মসজিদটি স্থানীয় মুসলিম স্থাপত্যশৈলীর এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।

জানা যায়, মসজিদটি ১৭শ শতাব্দীর শেষের দিকে নির্মিত হয়। দীর্ঘ চার শতাব্দী পার হলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ধর্মীয় মর্যাদা এখনো অটুট রয়েছে। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা এখানে নামাজ আদায় করতে আসেন।

ঐতিহাসিক এই মসজিদটি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের চরামদ্দি গ্রামে অবস্থিত। এটি মিয়া বাড়ির হাট সংলগ্ন চরকাউয়া–গোমা সড়কের পূর্ব পাশে অবস্থিত হওয়ায় স্থানীয়দের কাছে সহজেই পরিচিত একটি স্থান।

স্থানীয়দের মতে, মুঘল আমলের স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত এই মসজিদটি এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক। বহু বছর ধরে এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনালয়ই নয়, বরং স্থানীয় সংস্কৃতি ও ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রাচীন এই মসজিদটি সংরক্ষণ ও যথাযথভাবে সংস্কার করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

বাকেরগঞ্জের গারুড়িয়ায় ঝড়ের তাণ্ডবে বসতবাড়ি বিধ্বস্ত- খোলা আকাশের নিচে পরিবার

বাকেরগঞ্জে ৪০০ বছরের ঐতিহ্য বহন করছে মুগা খান জামে মসজিদ

Update Time : ১২:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি গ্রামে অবস্থিত প্রাচীন মুগা খান জামে মসজিদ প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে এখনো নিজস্ব ঐতিহ্য বহন করে দাঁড়িয়ে আছে। মুঘল আমলে নির্মিত এই মসজিদটি স্থানীয় মুসলিম স্থাপত্যশৈলীর এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।

জানা যায়, মসজিদটি ১৭শ শতাব্দীর শেষের দিকে নির্মিত হয়। দীর্ঘ চার শতাব্দী পার হলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ধর্মীয় মর্যাদা এখনো অটুট রয়েছে। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা এখানে নামাজ আদায় করতে আসেন।

ঐতিহাসিক এই মসজিদটি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের চরামদ্দি গ্রামে অবস্থিত। এটি মিয়া বাড়ির হাট সংলগ্ন চরকাউয়া–গোমা সড়কের পূর্ব পাশে অবস্থিত হওয়ায় স্থানীয়দের কাছে সহজেই পরিচিত একটি স্থান।

স্থানীয়দের মতে, মুঘল আমলের স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত এই মসজিদটি এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক। বহু বছর ধরে এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনালয়ই নয়, বরং স্থানীয় সংস্কৃতি ও ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রাচীন এই মসজিদটি সংরক্ষণ ও যথাযথভাবে সংস্কার করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।