০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারাদেশে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি: ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়ার আহ্বান

শিশুদের মারাত্মক সংক্রামক রোগ হাম প্রতিরোধে সারাদেশে আগামী রোববার, ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সকল শিশুকে হামের টিকা প্রদান করা হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হামের প্রাদুর্ভাব রোধ এবং শিশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের সন্তানদের নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের টিকা শিশুদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা, যা রোগের ঝুঁকি ও জটিলতা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। তাই কোনো ধরনের অবহেলা না করে সকল শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, এই টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

আপনার শিশুর সুরক্ষায় আজই নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

সিলেটে সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়িতে হামলা, ভেঙে গেছে পেছনের কাচ

সারাদেশে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি: ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়ার আহ্বান

Update Time : ০৯:২৪:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

শিশুদের মারাত্মক সংক্রামক রোগ হাম প্রতিরোধে সারাদেশে আগামী রোববার, ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সকল শিশুকে হামের টিকা প্রদান করা হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হামের প্রাদুর্ভাব রোধ এবং শিশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের সন্তানদের নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের টিকা শিশুদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা, যা রোগের ঝুঁকি ও জটিলতা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। তাই কোনো ধরনের অবহেলা না করে সকল শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, এই টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

আপনার শিশুর সুরক্ষায় আজই নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।