যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধ ও পারমাণবিক সমঝোতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও এ বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানত না ইসরায়েল। বুধবার (৬ মে) রয়টার্স ও অ্যাক্সিওসের পৃথক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারকে কেন্দ্র করে এক পৃষ্ঠার ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার এই আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো দুই পক্ষ চুক্তির সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছেছে। সম্ভাব্য সমঝোতা অনুযায়ী, ইরান অন্তত ১২ থেকে ১৫ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের আটকে থাকা বিপুল অর্থ অবমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে।
অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, আলোচনায় অগ্রগতির কারণে হরমুজ প্রণালি ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক অভিযান আপাতত স্থগিত রেখেছেন ট্রাম্প। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে ইরানের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ওয়াশিংটন।
সমঝোতা স্মারকে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার করবে এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের আকস্মিক পরিদর্শনের অনুমতি দিতে পারে বলেও সূত্রগুলো জানিয়েছে। পাশাপাশি উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
প্রাথমিক চুক্তি সম্পন্ন হলে ইসলামাবাদ অথবা জেনেভায় ৩০ দিনের নিবিড় আলোচনা শুরু হতে পারে। তবে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন ও চুক্তির বিভিন্ন শর্ত নিয়ে এখনো সংশয় রয়ে গেছে বলে মনে করছে হোয়াইট হাউস।
ডেস্ক রিপোর্টঃ 


















