০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৩ বার স্বেচ্ছায় রক্তদান করে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইমাম হাবিবুল্লাহ বিশ্বাস

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাকরধা চান্দু হাওলাদার জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাবিবুল্লাহ বিশ্বাস মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি এ পর্যন্ত মোট ২৩ বার স্বেচ্ছায় রক্তদান করে অসংখ্য মুমূর্ষু রোগীর জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

ইমাম হাবিবুল্লাহ বিশ্বাস জানান, রক্তদানকে তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে মনে করেন। তাঁর ভাষায়, “এ রক্ত আমার নয়, এ আল্লাহর আমানত। সেই আমানত যদি কোনো অসুস্থ মানুষের জীবন বাঁচাতে কাজে আসে, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় সাফল্য। একজন মানুষের জীবন বাঁচানো মানে পুরো মানবজাতির জীবন বাঁচানোর সমান।”

তিনি আরও বলেন, প্রতিবার রক্তদানের সময় তাঁর মনে হয়—হয়তো কোনো মায়ের কান্না থামবে, কোনো পরিবারের দুশ্চিন্তা দূর হবে। তাই যতদিন শরীরে রক্ত থাকবে, ততদিন মানুষের উপকারে আসার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী জানান, একজন ইমাম ও খতিব হয়ে এমন মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ সমাজের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। তাঁর এই উদ্যোগে যুব সমাজ রক্তদানে উৎসাহিত হচ্ছে এবং মানবসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়ছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ইমাম হাবিবুল্লাহ বিশ্বাসের এ মানবিক দৃষ্টান্ত সমাজে আরও অনেককে স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করবে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

শিক্ষার্থীদের সমকামিতায় প্রলুব্ধ করার অভিযোগে চিফ ইন্সট্রাক্টরের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

২৩ বার স্বেচ্ছায় রক্তদান করে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইমাম হাবিবুল্লাহ বিশ্বাস

Update Time : ০৭:২২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাকরধা চান্দু হাওলাদার জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাবিবুল্লাহ বিশ্বাস মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি এ পর্যন্ত মোট ২৩ বার স্বেচ্ছায় রক্তদান করে অসংখ্য মুমূর্ষু রোগীর জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

ইমাম হাবিবুল্লাহ বিশ্বাস জানান, রক্তদানকে তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে মনে করেন। তাঁর ভাষায়, “এ রক্ত আমার নয়, এ আল্লাহর আমানত। সেই আমানত যদি কোনো অসুস্থ মানুষের জীবন বাঁচাতে কাজে আসে, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় সাফল্য। একজন মানুষের জীবন বাঁচানো মানে পুরো মানবজাতির জীবন বাঁচানোর সমান।”

তিনি আরও বলেন, প্রতিবার রক্তদানের সময় তাঁর মনে হয়—হয়তো কোনো মায়ের কান্না থামবে, কোনো পরিবারের দুশ্চিন্তা দূর হবে। তাই যতদিন শরীরে রক্ত থাকবে, ততদিন মানুষের উপকারে আসার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী জানান, একজন ইমাম ও খতিব হয়ে এমন মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ সমাজের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। তাঁর এই উদ্যোগে যুব সমাজ রক্তদানে উৎসাহিত হচ্ছে এবং মানবসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়ছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ইমাম হাবিবুল্লাহ বিশ্বাসের এ মানবিক দৃষ্টান্ত সমাজে আরও অনেককে স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করবে।