৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রয়টার্সের প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে তারেক রহমান

দুই দশকের কম সময় নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করতে পারেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে আছেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের অনলাইন প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদি জনমত জরিপগুলো সঠিক হয় তাহলে বৃহস্পতিবারের (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ৬০ বছর বয়সী মৃদুভাষী তারেক রহমানের ভাগ্যের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।

সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর চিকিৎসার প্রয়োজনে ২০০৮ সালে দেশ ছাড়েন তারেক রহমান। সেই সময় দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের পর তাকে আটক করা হয়েছিল।

দীর্ঘ সময় পর ২০২৪ সালের আগস্টে তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া গণ-আন্দোলনে পতন হয় বিএনপির দীর্ঘদিনের শত্রু শেখ হাসিনা সরকারের। এরপরেই গত বছরের ডিসেম্বরে বড়দিনে বীরের মতো স্বাগত পেয়ে দেশে ফিরেন তারেক রহমান। হাসিনা বর্তমানে দিল্লিতে নির্বাসনে আছেন।

তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন আধিপত্য ধরে রেখেছিলেন। এ ছাড়া তারেক রহমানের পিতা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃস্থানীয় ভূমিকায় ছিলেন। তিনি নিহত হওয়ার আগে ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ শাসন করেন।

তারেক রহমান বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কোনো একক দেশের সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠ না হয়ে বিনিয়োগ আকর্ষণের কথা বলেছেন তিনি। অন্যদিকে হাসিনা তার শাসনামলে দিল্লির অনেক ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিশোধ কারো জীবনে কী নিয়ে আসে? প্রতিশোধের কারণে লোকদের এই দেশ থেকে পালাতে হবে। এতে ভালো কিছু হয়না। এই মুহূর্তে আমাদের দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দরকার বলে উল্লেখ করেছেন তারেক রহমান।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

সিলেটে সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়িতে হামলা, ভেঙে গেছে পেছনের কাচ

রয়টার্সের প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে তারেক রহমান

Update Time : ০৩:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুই দশকের কম সময় নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করতে পারেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে আছেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের অনলাইন প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদি জনমত জরিপগুলো সঠিক হয় তাহলে বৃহস্পতিবারের (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ৬০ বছর বয়সী মৃদুভাষী তারেক রহমানের ভাগ্যের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।

সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর চিকিৎসার প্রয়োজনে ২০০৮ সালে দেশ ছাড়েন তারেক রহমান। সেই সময় দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের পর তাকে আটক করা হয়েছিল।

দীর্ঘ সময় পর ২০২৪ সালের আগস্টে তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া গণ-আন্দোলনে পতন হয় বিএনপির দীর্ঘদিনের শত্রু শেখ হাসিনা সরকারের। এরপরেই গত বছরের ডিসেম্বরে বড়দিনে বীরের মতো স্বাগত পেয়ে দেশে ফিরেন তারেক রহমান। হাসিনা বর্তমানে দিল্লিতে নির্বাসনে আছেন।

তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন আধিপত্য ধরে রেখেছিলেন। এ ছাড়া তারেক রহমানের পিতা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃস্থানীয় ভূমিকায় ছিলেন। তিনি নিহত হওয়ার আগে ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ শাসন করেন।

তারেক রহমান বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কোনো একক দেশের সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠ না হয়ে বিনিয়োগ আকর্ষণের কথা বলেছেন তিনি। অন্যদিকে হাসিনা তার শাসনামলে দিল্লির অনেক ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিশোধ কারো জীবনে কী নিয়ে আসে? প্রতিশোধের কারণে লোকদের এই দেশ থেকে পালাতে হবে। এতে ভালো কিছু হয়না। এই মুহূর্তে আমাদের দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দরকার বলে উল্লেখ করেছেন তারেক রহমান।