২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো আইনি সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। রোববার (১২ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্ট করেন যে, শেখ হাসিনা চাইলেই সাধারণ নাগরিকদের মতো স্বাধীনভাবে দেশে ফিরতে পারবেন না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে নির্বাসনে রয়েছেন। তিনি যদি দেশে ফিরতে চান, তবে অবশ্যই বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও কূটনৈতিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসতে হবে। তিনি যখনই দেশের মাটিতে পা রাখবেন, তখনই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং সরাসরি কারাগারে পাঠানো হবে।

ট্রাইব্যুনালের চলমান মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে চিফ প্রসিকিউটর জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত নৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রধান ১০টি মামলার তদন্ত কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। খুব দ্রুতই এই প্রতিবেদনগুলো আদালতে পেশ করা হবে।

অর্থাৎ, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং আত্মসমর্পণ—উভয় ক্ষেত্রেই আইনি ও কূটনৈতিক জটিলতা রয়েছে এবং দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের এই শীর্ষ আইন কর্মকর্তা।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

বিশ্বকাপ জিততে ভারতকে মাঠের বাউন্ডারি বড় করার পরামর্শ

শেখ হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

Update Time : ০৪:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো আইনি সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। রোববার (১২ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্ট করেন যে, শেখ হাসিনা চাইলেই সাধারণ নাগরিকদের মতো স্বাধীনভাবে দেশে ফিরতে পারবেন না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে নির্বাসনে রয়েছেন। তিনি যদি দেশে ফিরতে চান, তবে অবশ্যই বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও কূটনৈতিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসতে হবে। তিনি যখনই দেশের মাটিতে পা রাখবেন, তখনই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং সরাসরি কারাগারে পাঠানো হবে।

ট্রাইব্যুনালের চলমান মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে চিফ প্রসিকিউটর জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত নৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রধান ১০টি মামলার তদন্ত কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। খুব দ্রুতই এই প্রতিবেদনগুলো আদালতে পেশ করা হবে।

অর্থাৎ, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং আত্মসমর্পণ—উভয় ক্ষেত্রেই আইনি ও কূটনৈতিক জটিলতা রয়েছে এবং দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের এই শীর্ষ আইন কর্মকর্তা।