২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকার

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি ইরানের উদ্দেশে রওনা হন।

জানা গেছে, জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে আগামী ৪ জুলাই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশে ফিরবেন।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের নতুন শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন খামেনি। ১৯৮০ সালে স্বল্প সময়ের জন্য তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরুর পর তিনি ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ তাকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে মাটি ফুঁড়ে বের হচ্ছে গ্যাস ও আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকার

Update Time : ০৯:৪৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি ইরানের উদ্দেশে রওনা হন।

জানা গেছে, জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে আগামী ৪ জুলাই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশে ফিরবেন।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের নতুন শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন খামেনি। ১৯৮০ সালে স্বল্প সময়ের জন্য তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরুর পর তিনি ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ তাকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।