০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেকোনো ভাষার ওপর আক্রমণ হলে সবাই মিলে রুখে দাঁড়াবো: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তায় ‘যেকোনো ভাষার ওপর আক্রমণকারীদের’ বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে এসব কথা বলেন।

মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই পুণ্যদিনে সম্মান জানাই বিশ্বের সকল ভাষা ও ভাষাভাষী মানুষকে। বিশ্বের সকল দেশের সকল ভাষা-শহিদদের ও ভাষা-সংগ্রামীদের জানাই আমার প্রণাম ও অন্তরের শ্রদ্ধা।

তিনি আরও লেখেন, রবীন্দ্রনাথ-নজরুল-সুকান্ত-জীবনানন্দের বাংলা শুধু নয়, আমরা সব ভাষাকেই সম্মান করি। এটা আমার গর্ব যে, আমাদের সময়ে হিন্দি, সাঁওতালি, কুরুখ, কুড়মালি, নেপালি, উর্দু, রাজবংশী, কামতাপুরী, পাঞ্জাবি, তেলুগু ভাষাকে আমরা সরকারি ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছি। সাদরি ভাষার মানোন্নয়নেও আমরা সচেষ্ট হয়েছি। হিন্দি আকাদেমি, রাজবংশী ভাষা আকাদেমি, কামতাপুরী ভাষা আকাদেমি, সাঁওতালি আকাদেমি– সব করা হয়েছে। এটাও সুনিশ্চিত করেছি যে, রাজ্যের প্রত্যেক ভাষা-ভাষী মানুষ তাদের মাতৃভাষায় পড়াশোনা করার সুযোগ পায়।

শেষে তিনি লেখেন, একুশের এই পুণ্য দিনে আরও একবার অঙ্গীকার করছি— যেকোনো ভাষার ওপর যদি আক্রমণ আসে – আমরা সবাই মিলে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো। সকল ভাষা সমান ভাবে সম্মাননীয়।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

রাজশাহীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাকেরগঞ্জের মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

যেকোনো ভাষার ওপর আক্রমণ হলে সবাই মিলে রুখে দাঁড়াবো: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Update Time : ০৯:০১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তায় ‘যেকোনো ভাষার ওপর আক্রমণকারীদের’ বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে এসব কথা বলেন।

মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই পুণ্যদিনে সম্মান জানাই বিশ্বের সকল ভাষা ও ভাষাভাষী মানুষকে। বিশ্বের সকল দেশের সকল ভাষা-শহিদদের ও ভাষা-সংগ্রামীদের জানাই আমার প্রণাম ও অন্তরের শ্রদ্ধা।

তিনি আরও লেখেন, রবীন্দ্রনাথ-নজরুল-সুকান্ত-জীবনানন্দের বাংলা শুধু নয়, আমরা সব ভাষাকেই সম্মান করি। এটা আমার গর্ব যে, আমাদের সময়ে হিন্দি, সাঁওতালি, কুরুখ, কুড়মালি, নেপালি, উর্দু, রাজবংশী, কামতাপুরী, পাঞ্জাবি, তেলুগু ভাষাকে আমরা সরকারি ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছি। সাদরি ভাষার মানোন্নয়নেও আমরা সচেষ্ট হয়েছি। হিন্দি আকাদেমি, রাজবংশী ভাষা আকাদেমি, কামতাপুরী ভাষা আকাদেমি, সাঁওতালি আকাদেমি– সব করা হয়েছে। এটাও সুনিশ্চিত করেছি যে, রাজ্যের প্রত্যেক ভাষা-ভাষী মানুষ তাদের মাতৃভাষায় পড়াশোনা করার সুযোগ পায়।

শেষে তিনি লেখেন, একুশের এই পুণ্য দিনে আরও একবার অঙ্গীকার করছি— যেকোনো ভাষার ওপর যদি আক্রমণ আসে – আমরা সবাই মিলে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো। সকল ভাষা সমান ভাবে সম্মাননীয়।