৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই বছরেও সংস্কার হয়নি দক্ষিণ ভোজমহল–ভাতশালা সংযোগ ব্রিজ: ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন চলাচল করছে সহস্রাধিক মানুষ

বাকেরগঞ্জের ফরিদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভোজমহল এলাকার সঙ্গে ভাতশালা গ্রামের সংযোগস্থলে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতিদিন প্রায় এক হাজারেরও বেশি মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ব্রিজ ব্যবহার করে যাতায়াত করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্রিজটির পাটাতন ভেঙে গেছে এবং রেলিংয়ের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। কাঠামোর বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো সংস্কার কাজ বা নতুন অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

যদিও বিকল্প একটি রাস্তা রয়েছে, তবে সেই পথ ব্যবহার করলে দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এতে সময় ও যাতায়াত ব্যয় দুটিই বৃদ্ধি পায়। ফলে স্থানীয়রা বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি ব্যবহার করছেন। প্রতিদিন মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে গেছে।

এলাকাবাসী জানান, এই ব্রিজটি শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও রোগী পরিবহনের অন্যতম প্রধান সংযোগ মাধ্যম। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে সেতুটির ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তখন চলাচল প্রায় দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। দ্রুত সংস্কার বা নতুন ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ না নিলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

জনস্বার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যে দক্ষিণ ভোজমহল–ভাতশালা সংযোগ সড়কের এই গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

দুই বছরেও সংস্কার হয়নি দক্ষিণ ভোজমহল–ভাতশালা সংযোগ ব্রিজ: ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন চলাচল করছে সহস্রাধিক মানুষ

Update Time : ০২:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাকেরগঞ্জের ফরিদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভোজমহল এলাকার সঙ্গে ভাতশালা গ্রামের সংযোগস্থলে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতিদিন প্রায় এক হাজারেরও বেশি মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ব্রিজ ব্যবহার করে যাতায়াত করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্রিজটির পাটাতন ভেঙে গেছে এবং রেলিংয়ের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। কাঠামোর বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো সংস্কার কাজ বা নতুন অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

যদিও বিকল্প একটি রাস্তা রয়েছে, তবে সেই পথ ব্যবহার করলে দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এতে সময় ও যাতায়াত ব্যয় দুটিই বৃদ্ধি পায়। ফলে স্থানীয়রা বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি ব্যবহার করছেন। প্রতিদিন মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে গেছে।

এলাকাবাসী জানান, এই ব্রিজটি শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও রোগী পরিবহনের অন্যতম প্রধান সংযোগ মাধ্যম। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে সেতুটির ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তখন চলাচল প্রায় দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। দ্রুত সংস্কার বা নতুন ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ না নিলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

জনস্বার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যে দক্ষিণ ভোজমহল–ভাতশালা সংযোগ সড়কের এই গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।