০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোনকে খুনের পর বোরকা পরে পালাচ্ছিলেন ছোট ভাই, জনতার হাতে আটক

চট্টগ্রামে বোনকে কুপিয়ে খুন করে বোরকা পরে পালানোর সময় এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে নগরের হালিশহর থানার ঈদগাহ বড় পুকুর দক্ষিণপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত নারীর নাম সেনোয়ারা বেগম। তিনি ওই এলাকার সাবের আহমেদের স্ত্রী। তাঁকে খুনের অভিযোগে আটক তাঁর ছোট ভাইয়ের নাম জানে আলম। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, স্বামী ও ছেলে মসজিদে তারাবিহর নামাজ পড়তে যাওয়ায় বাসায় একাই ছিলেন সেনোয়ারা বেগম। এ সময় জানে আলম এসে বোনের স্বর্ণালংকার নিয়ে নেন। এতে বোন সেনোয়ারা বাধা দিলে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেন জানে আলম। পরে জানে আলম বোরকা পরে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে বাইরে লোকজন তাঁকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে। এরপর পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জানে আলমকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় একদল বিক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে।

নিহত নারীর ছেলে সেকান্দার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাসায় আমার মা একা থাকায় তাঁকে খুন করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন আমার মামা। তারাবিহর নামাজ পড়ে এসে দেখতে পাই, আমার মামাকে লোকজন আটক করে রেখেছে।’

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সুলতান মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। জানে আলমকে সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

রাজশাহীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাকেরগঞ্জের মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

বোনকে খুনের পর বোরকা পরে পালাচ্ছিলেন ছোট ভাই, জনতার হাতে আটক

Update Time : ১০:৫১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামে বোনকে কুপিয়ে খুন করে বোরকা পরে পালানোর সময় এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে নগরের হালিশহর থানার ঈদগাহ বড় পুকুর দক্ষিণপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত নারীর নাম সেনোয়ারা বেগম। তিনি ওই এলাকার সাবের আহমেদের স্ত্রী। তাঁকে খুনের অভিযোগে আটক তাঁর ছোট ভাইয়ের নাম জানে আলম। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, স্বামী ও ছেলে মসজিদে তারাবিহর নামাজ পড়তে যাওয়ায় বাসায় একাই ছিলেন সেনোয়ারা বেগম। এ সময় জানে আলম এসে বোনের স্বর্ণালংকার নিয়ে নেন। এতে বোন সেনোয়ারা বাধা দিলে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেন জানে আলম। পরে জানে আলম বোরকা পরে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে বাইরে লোকজন তাঁকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে। এরপর পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জানে আলমকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় একদল বিক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে।

নিহত নারীর ছেলে সেকান্দার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাসায় আমার মা একা থাকায় তাঁকে খুন করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন আমার মামা। তারাবিহর নামাজ পড়ে এসে দেখতে পাই, আমার মামাকে লোকজন আটক করে রেখেছে।’

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সুলতান মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। জানে আলমকে সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।