০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: গ্যাস সংকটে বন্ধ হওয়ার পথে বেঙ্গালুরুর সব হোটেল

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এসে পড়েছে ভারতের বেঙ্গালুরুতে। গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় সেখানকার হোটেলগুলো বন্ধ হওয়ার শঙ্কায় পড়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেঙ্গালুরুতে গত শনিবার আবাসিক ভবনে সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ৬০ রুপ আর বাণিজ্যিক স্থাপনায় ১১৫ রুপি বাড়ানো হয়।

এরমধ্যে ব্যাঙ্গুলুরুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জায়গায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে তাদের হোটেলও বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছে।

এতে করে সাধারণ মানুষ শুরু করে প্রায় সবাই ঝামেলায় পড়বে বলে সতর্ক করেছে তারা।

হোটেল অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, তারা তাদের গ্যাসের শেষ ফোঁটা থাকা পর্যন্ত হোটেল খোলা রাখবেন। কিন্তু গ্যাস না পেলে তাদের আর কিছু করার থাকবে না।

অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, তাদের বলা হয়েছিল যুদ্ধ শুরু হলেও আগামী ৭০ দিনে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটবে না। কিন্তু সোমবার থেকেই গ্যাস দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হারদ্বীপ সিং পুরি দাবি করেছেন, ভারতে গ্যাসের কোনো সংকট নেই। তবে ব্যাঙ্গালুরুতে ইতিমধ্যে সংকট তৈরি হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

রাজশাহীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাকেরগঞ্জের মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: গ্যাস সংকটে বন্ধ হওয়ার পথে বেঙ্গালুরুর সব হোটেল

Update Time : ১২:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এসে পড়েছে ভারতের বেঙ্গালুরুতে। গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় সেখানকার হোটেলগুলো বন্ধ হওয়ার শঙ্কায় পড়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেঙ্গালুরুতে গত শনিবার আবাসিক ভবনে সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ৬০ রুপ আর বাণিজ্যিক স্থাপনায় ১১৫ রুপি বাড়ানো হয়।

এরমধ্যে ব্যাঙ্গুলুরুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জায়গায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে তাদের হোটেলও বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছে।

এতে করে সাধারণ মানুষ শুরু করে প্রায় সবাই ঝামেলায় পড়বে বলে সতর্ক করেছে তারা।

হোটেল অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, তারা তাদের গ্যাসের শেষ ফোঁটা থাকা পর্যন্ত হোটেল খোলা রাখবেন। কিন্তু গ্যাস না পেলে তাদের আর কিছু করার থাকবে না।

অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, তাদের বলা হয়েছিল যুদ্ধ শুরু হলেও আগামী ৭০ দিনে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটবে না। কিন্তু সোমবার থেকেই গ্যাস দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হারদ্বীপ সিং পুরি দাবি করেছেন, ভারতে গ্যাসের কোনো সংকট নেই। তবে ব্যাঙ্গালুরুতে ইতিমধ্যে সংকট তৈরি হয়েছে।