৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উদ্বোধনের অল্প সময়েই বেহাল গোমা সেতুর সংযোগ সড়ক, নির্মাণ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

বাকেরগঞ্জ উপজেলা-এর রাঙামাটি নদীর ওপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত গোমা সেতু উদ্বোধনের অল্প সময়ের মধ্যেই এর সংযোগ সড়কের বেহাল চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ কমার আশা জাগলেও, কয়েক সপ্তাহ না পেরোতেই সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়া, দেবে যাওয়া এবং বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, যথাযথ তদারকির অভাব এবং নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির কারণেই এত দ্রুত সড়কের এই করুণ অবস্থা তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, কোটি টাকার এই প্রকল্পে টেকসই উন্নয়নের পরিবর্তে দায়সারা কাজ করা হয়েছে, যার ভোগান্তি এখন সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে।

গোমা সেতু চালুর ফলে এলাকাবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা দেখা দিলেও বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ সড়কের কারণে যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী দ্রুত সড়ক সংস্কার, নির্মাণকাজের গুণগত মান যাচাই এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, জনগণের কষ্টার্জিত অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

উদ্বোধনের অল্প সময়েই বেহাল গোমা সেতুর সংযোগ সড়ক, নির্মাণ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

Update Time : ০৩:১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

বাকেরগঞ্জ উপজেলা-এর রাঙামাটি নদীর ওপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত গোমা সেতু উদ্বোধনের অল্প সময়ের মধ্যেই এর সংযোগ সড়কের বেহাল চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ কমার আশা জাগলেও, কয়েক সপ্তাহ না পেরোতেই সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়া, দেবে যাওয়া এবং বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, যথাযথ তদারকির অভাব এবং নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির কারণেই এত দ্রুত সড়কের এই করুণ অবস্থা তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, কোটি টাকার এই প্রকল্পে টেকসই উন্নয়নের পরিবর্তে দায়সারা কাজ করা হয়েছে, যার ভোগান্তি এখন সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে।

গোমা সেতু চালুর ফলে এলাকাবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা দেখা দিলেও বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ সড়কের কারণে যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী দ্রুত সড়ক সংস্কার, নির্মাণকাজের গুণগত মান যাচাই এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, জনগণের কষ্টার্জিত অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।