দেশের বাজারে সোনার দাম এখন মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে। প্রায় প্রতিদিনই ওঠানামা করছে মূল্য, প্রতি ভরি সোনা ছুঁয়েছে আড়াই লাখ টাকার ঘর। ফলে অনেকের কাছেই সোনার গয়না পরার শখ ক্রমেই ফিকে হয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদেশফেরত যাত্রীদের মাধ্যমে স্বর্ণ আনার বিষয়ে আগ্রহ বেড়েছে।
চলতি অর্থবছর থেকে অপর্যটক যাত্রীদের জন্য ব্যাগেজ রুলসের আওতায় সোনার অলংকার ও সোনার বার আনার সুযোগ কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণ আনলে কোনো শুল্ক-কর দিতে হয় না, আবার নির্ধারিত শুল্ক দিয়ে অতিরিক্ত সোনাও দেশে আনার সুযোগ রয়েছে।
কতটুকু সোনা আনা যাবে
বিদেশফেরত একজন যাত্রী বছরে একবার কোনো শুল্ক ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম সোনার অলংকার আনতে পারবেন। এটি প্রায় ৮ ভরি ১০ আনার সমপরিমাণ। তবে এই সুবিধায় সর্বোচ্চ ১২টির বেশি গয়না আনা যাবে না।
এ ছাড়া শুল্ক পরিশোধ করে স্বর্ণপিণ্ড বা সোনার বার আনার সুযোগ রয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, তোলাপ্রতি ৫ হাজার টাকা শুল্ক দিয়ে বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০ তোলা ওজনের একটি সোনার বার আনা যাবে।
কীভাবে আনবেন
বিদেশ থেকে ফেরার পর যাত্রীদের ব্যাগেজ ঘোষণা ফরম পূরণ করতে হয়। বিমানবন্দরে অবতরণের পর এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফরমে যাত্রীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর, ফ্লাইট নম্বর, জাতীয়তা এবং কোন দেশ থেকে এসেছেন—এসব তথ্য উল্লেখ করতে হয়। শুল্কযোগ্য পণ্য থাকলে তার পূর্ণ বিবরণ দিতে হয়।
তবে ১০০ গ্রাম সোনার অলংকার এবং ২০০ গ্রাম রুপার অলংকারের কম থাকলে ব্যাগেজ ঘোষণা ফরম পূরণ করতে হয় না। এ ক্ষেত্রে যাত্রীরা সরাসরি গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বিমানবন্দর ত্যাগ করতে পারবেন।
ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী, শুল্কমুক্ত পণ্য থাকলে গ্রিন চ্যানেল ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, যা যাত্রীদের জন্য প্রক্রিয়াটি সহজ করে দিয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্টঃ 























