২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাছুয়াখালি করমালি মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ১০টির বেশি দোকান

বাকেরগঞ্জ উপজেলার মাছুয়াখালি করমালি মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০টির বেশি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার গভীর রাতে আনুমানিক রাত ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাজার এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা যায়, মো. শিপন নামের এক ব্যবসায়ীর ওষুধের দোকানে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে একটি মিটার সংযোগ দেওয়া হয়েছিল। ভুলভাবে মিটার স্থাপনের কারণে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

আগুন দ্রুত পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা আতঙ্কে ছুটাছুটি শুরু করেন। এতে বাজার এলাকায় কান্না, উৎকণ্ঠা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের মধ্যে রয়েছেন খোকন শরীফ, গনি গাজী, রাসেল মৃধা, জাহিদ খান, শিপন ডাক্তার ও আবুল হাওলাদার। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, খবর দেওয়া হলেও বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। কেবল আশ্বাস দিয়েই দায়িত্ব শেষ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বিলম্ব হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়।

এ ঘটনায় কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ত্রুটিপূর্ণ সংযোগ ও অবহেলার কারণে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে মাটি ফুঁড়ে বের হচ্ছে গ্যাস ও আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

মাছুয়াখালি করমালি মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ১০টির বেশি দোকান

Update Time : ১০:১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাকেরগঞ্জ উপজেলার মাছুয়াখালি করমালি মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০টির বেশি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার গভীর রাতে আনুমানিক রাত ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাজার এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা যায়, মো. শিপন নামের এক ব্যবসায়ীর ওষুধের দোকানে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে একটি মিটার সংযোগ দেওয়া হয়েছিল। ভুলভাবে মিটার স্থাপনের কারণে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

আগুন দ্রুত পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা আতঙ্কে ছুটাছুটি শুরু করেন। এতে বাজার এলাকায় কান্না, উৎকণ্ঠা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের মধ্যে রয়েছেন খোকন শরীফ, গনি গাজী, রাসেল মৃধা, জাহিদ খান, শিপন ডাক্তার ও আবুল হাওলাদার। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, খবর দেওয়া হলেও বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। কেবল আশ্বাস দিয়েই দায়িত্ব শেষ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বিলম্ব হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়।

এ ঘটনায় কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ত্রুটিপূর্ণ সংযোগ ও অবহেলার কারণে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।