২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে ইমামের যাবজ্জীবন

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া নামে এক ইমামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার এ অর্থ ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানার হরিচণ্ডী গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, মুছা মিয়া যে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন, সেখানে আরবি পড়তে যেত ওই কিশোরী। প্রতিদিন সকালে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে কিশোরীকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন তিনি। এ সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৮ নভেম্বর এবং ১ ও ২ ডিসেম্বর কিশোরীকে ধর্ষণ করেন মুছা মিয়া।

পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে ওই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা করেন কিশোরীর মা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৫ মে পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে মাটি ফুঁড়ে বের হচ্ছে গ্যাস ও আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

জামালপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে ইমামের যাবজ্জীবন

Update Time : ০৩:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া নামে এক ইমামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার এ অর্থ ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানার হরিচণ্ডী গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, মুছা মিয়া যে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন, সেখানে আরবি পড়তে যেত ওই কিশোরী। প্রতিদিন সকালে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে কিশোরীকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন তিনি। এ সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৮ নভেম্বর এবং ১ ও ২ ডিসেম্বর কিশোরীকে ধর্ষণ করেন মুছা মিয়া।

পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে ওই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা করেন কিশোরীর মা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৫ মে পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।