২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেনীর দাগনভূঞায় মাকে কুপিয়ে হত্যা, মেয়ে রিনা আক্তার আটক

ফেনীর দাগনভূঞায় বটি দিয়ে কুপিয়ে সেতারা বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যা করেছে তার মেয়ে রিনা আক্তার রানু (৩৭)।

রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর মডেল ইউনিয়নের পূর্ব চন্দ্রপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেতারা বেগম ওই গ্রামের মৃত হোসেন আহমেদের স্ত্রী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত কিছুদিন ধরে রানু আক্তার অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেন। সম্প্রতি তিনি তার স্বামীকেও মারধর করেন। এ ঘটনার পর পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসার জন্য কিছুদিন আগে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেখানে তার মানসিক চিকিৎসাসহ বিভিন্ন চিকিৎসা চলছিল।

রোববার রাতে হঠাৎ রানু ঘরের অন্য সদস্যদের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে ধারালো বটি দিয়ে তার মাকে উপর্যুপরি কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই সেতারা বেগমের মৃত্যু হয়। পরে রানু বটি হাতে নিয়ে ঘরের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে দৌড়াতে থাকেন এবং দরজা ভেতর থেকে আটকে রাখেন।

পরে খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর পুলিশ বসতঘরের লোহার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সেতারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে এ ঘটনায় অভিযুক্ত রানুকে আটক করা হয়।

এ ব্যাপারে দাগনভূঞা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটির মানসিক সমস্যা থাকতে পারে বলে মনে হয়েছে। তাকে আটক করা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে মাটি ফুঁড়ে বের হচ্ছে গ্যাস ও আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

ফেনীর দাগনভূঞায় মাকে কুপিয়ে হত্যা, মেয়ে রিনা আক্তার আটক

Update Time : ১১:৪৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

ফেনীর দাগনভূঞায় বটি দিয়ে কুপিয়ে সেতারা বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যা করেছে তার মেয়ে রিনা আক্তার রানু (৩৭)।

রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর মডেল ইউনিয়নের পূর্ব চন্দ্রপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেতারা বেগম ওই গ্রামের মৃত হোসেন আহমেদের স্ত্রী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত কিছুদিন ধরে রানু আক্তার অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেন। সম্প্রতি তিনি তার স্বামীকেও মারধর করেন। এ ঘটনার পর পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসার জন্য কিছুদিন আগে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেখানে তার মানসিক চিকিৎসাসহ বিভিন্ন চিকিৎসা চলছিল।

রোববার রাতে হঠাৎ রানু ঘরের অন্য সদস্যদের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে ধারালো বটি দিয়ে তার মাকে উপর্যুপরি কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই সেতারা বেগমের মৃত্যু হয়। পরে রানু বটি হাতে নিয়ে ঘরের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে দৌড়াতে থাকেন এবং দরজা ভেতর থেকে আটকে রাখেন।

পরে খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর পুলিশ বসতঘরের লোহার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সেতারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে এ ঘটনায় অভিযুক্ত রানুকে আটক করা হয়।

এ ব্যাপারে দাগনভূঞা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটির মানসিক সমস্যা থাকতে পারে বলে মনে হয়েছে। তাকে আটক করা হয়েছে।