২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাতনির মরদেহ আনার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ ঝরলো নানিসহ দুইজনের

পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা সড়াডাঙি নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্স ও যাত্রীবাহি ঢাকা কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অপর ৪ জন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৮ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামানিকের স্ত্রী বুলু খাতুন এবং অ্যাম্বুলেন্স গাড়ির ড্রাইভার রাজ হোসেন। ড্রাইভার রাজের কোনো ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

পাবনা মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেয়া নামের বাচ্চা মেয়ে মারা যান। তার অত্মীয় স্বজনেরা একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহটি রাজশাহী থেকে পাবনায় নিজ বাড়িতে নিয়ে আসছিল। অ্যাম্বুলেন্স গাড়িটি পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙি নামকস্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ঢাকা থেকে পাবনাগামী পাবনা এক্সপ্রেস নামক একটি যাত্রীবাহি বাসের চাকা ফেটে সরাসরি অ্যাম্বুলেন্সে আঘাত করে। সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার রাজ ও নিহত কেয়ার নানী বুলু খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

জানা যায়, পুলিশ ঘাতক বাসটিকে জব্দ করেছেন এবং নিহতদের মরদেহ পাবনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে মাটি ফুঁড়ে বের হচ্ছে গ্যাস ও আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

নাতনির মরদেহ আনার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ ঝরলো নানিসহ দুইজনের

Update Time : ১১:৩১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা সড়াডাঙি নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্স ও যাত্রীবাহি ঢাকা কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অপর ৪ জন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৮ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামানিকের স্ত্রী বুলু খাতুন এবং অ্যাম্বুলেন্স গাড়ির ড্রাইভার রাজ হোসেন। ড্রাইভার রাজের কোনো ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

পাবনা মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেয়া নামের বাচ্চা মেয়ে মারা যান। তার অত্মীয় স্বজনেরা একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহটি রাজশাহী থেকে পাবনায় নিজ বাড়িতে নিয়ে আসছিল। অ্যাম্বুলেন্স গাড়িটি পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙি নামকস্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ঢাকা থেকে পাবনাগামী পাবনা এক্সপ্রেস নামক একটি যাত্রীবাহি বাসের চাকা ফেটে সরাসরি অ্যাম্বুলেন্সে আঘাত করে। সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার রাজ ও নিহত কেয়ার নানী বুলু খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

জানা যায়, পুলিশ ঘাতক বাসটিকে জব্দ করেছেন এবং নিহতদের মরদেহ পাবনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।