২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমাকে গালি দেয়, আমি নাকি মেম্বারও হতে পারবো না: কর্নেল অলি

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, বিএনপি সরকারের সময় বলেছি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। দুর্নীতিবাজদের জেলে দেন। সুশাসন পাইনি, আমি বের হয়ে এসেছি।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, ‘১৯৯১-এর পরে আমি যখন যোগাযোগমন্ত্রী হিসেবে ছিলাম, দলমত নির্বিশেষে সব এমপিদের জন্যই কাজ করেছি। অথচ আমাকে দল থেকে বলা হয়েছিল, আমি যেন কেবল বিএনপির জন্য কাজ করি। আমি তখন বলেছিলাম, আমি পদত্যাগ করে চলে যাব। কারণ আমি শপথ নিয়েছি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মন্ত্রী হিসেবে। আমার শপথ বিএনপির মন্ত্রী হিসেবে নয়।’

তিনি বলেন, ‘সুতরাং আমি এখানে কোনো পার্থক্য করব না। প্রয়োজনে পদ ছাড়তে রাজি আছি, তবু বেইমানি, মোনাফেকি করতে পারব না।’

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যখনই বিপদের সম্মুখীন হয়েছে, আমি সম্মুখভাগে ছিলাম। ১৯৭১ সালে যখন পুরো জাতি দিশেহারা ছিল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আমরা বিদ্রোহ করেছিলাম। আমি নিজেই তাকে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে নিয়ে গিয়েছিলাম। আমরা পাশাপাশি বসা ছিলাম। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন তিনি। তখন আমার বয়স কতই-বা ছিল? সামান্য একজন তরুণ ক্যাপ্টেন।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘এখন আমাকে গালি দেয়, আমি নাকি মেম্বারও হতে পারবোনা। আমি কিছু বলি না। কারণ, যে যে স্তরের লোক তার চিন্তাধারাই তো ওই স্তরের।’

এছাড়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় যে ১৯টি ক্রু হলো, প্রতিটি ক্রুতে তিনি সম্মুখযোদ্ধা ছিলেন বলেও জানান সাক্ষাৎকারে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে মাটি ফুঁড়ে বের হচ্ছে গ্যাস ও আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

আমাকে গালি দেয়, আমি নাকি মেম্বারও হতে পারবো না: কর্নেল অলি

Update Time : ১২:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, বিএনপি সরকারের সময় বলেছি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। দুর্নীতিবাজদের জেলে দেন। সুশাসন পাইনি, আমি বের হয়ে এসেছি।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, ‘১৯৯১-এর পরে আমি যখন যোগাযোগমন্ত্রী হিসেবে ছিলাম, দলমত নির্বিশেষে সব এমপিদের জন্যই কাজ করেছি। অথচ আমাকে দল থেকে বলা হয়েছিল, আমি যেন কেবল বিএনপির জন্য কাজ করি। আমি তখন বলেছিলাম, আমি পদত্যাগ করে চলে যাব। কারণ আমি শপথ নিয়েছি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মন্ত্রী হিসেবে। আমার শপথ বিএনপির মন্ত্রী হিসেবে নয়।’

তিনি বলেন, ‘সুতরাং আমি এখানে কোনো পার্থক্য করব না। প্রয়োজনে পদ ছাড়তে রাজি আছি, তবু বেইমানি, মোনাফেকি করতে পারব না।’

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যখনই বিপদের সম্মুখীন হয়েছে, আমি সম্মুখভাগে ছিলাম। ১৯৭১ সালে যখন পুরো জাতি দিশেহারা ছিল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আমরা বিদ্রোহ করেছিলাম। আমি নিজেই তাকে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে নিয়ে গিয়েছিলাম। আমরা পাশাপাশি বসা ছিলাম। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন তিনি। তখন আমার বয়স কতই-বা ছিল? সামান্য একজন তরুণ ক্যাপ্টেন।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘এখন আমাকে গালি দেয়, আমি নাকি মেম্বারও হতে পারবোনা। আমি কিছু বলি না। কারণ, যে যে স্তরের লোক তার চিন্তাধারাই তো ওই স্তরের।’

এছাড়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় যে ১৯টি ক্রু হলো, প্রতিটি ক্রুতে তিনি সম্মুখযোদ্ধা ছিলেন বলেও জানান সাক্ষাৎকারে।