ডেঙ্গু প্রতিরোধ, মশার বংশবিস্তার রোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, ড্রেন ও নালা পরিষ্কার এবং এডিস মশার লার্ভার সম্ভাব্য প্রজননস্থল শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
আজকের এ কার্যক্রমে শ্রীমন্ত নদীর আয়রন ব্রিজের নিচে জমে থাকা ময়লার স্তূপ পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি জেলখানার খালের ড্রেন ও নালা, কাঁচাবাজারের পাশের ময়লা এবং বাসস্ট্যান্ড ব্রিজ থেকে মডার্ন ক্লিনিকের সামনের এলাকা পর্যন্ত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এ ছাড়া কলেজ গেট থেকে বাসস্ট্যান্ড ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের আশপাশের ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়। পৌরসভার ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন আবাসিক ভবনে জমে থাকা পানি ও মশার লার্ভার সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে পুলিশ সুপার মার্কেটের স্যানিটারি দোকানের পাশে স্তূপ করে রাখা খোলা ট্যাংকিতে জমে থাকা পানিতে মশার লার্ভার উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে একজনকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অবহেলা এড়াতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সচেতন করা হয়।
অন্যদিকে, বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকদের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোতেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনিক অভিযানই যথেষ্ট নয়; বরং বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ড্রেন, নালা ও আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখা জরুরি। কোথাও যেন পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা ও সম্মিলিত উদ্যোগই পারে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে এবং বাকেরগঞ্জকে পরিচ্ছন্ন রাখতে।
মোঃ রাহাত শিকদার 



















