৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রমজানে ইসরায়েলি খেজুর বয়কটের ডাক কলকাতার ব্যবসায়ীদের

গাজায় সহিংসতার প্রতিবাদে পবিত্র রমজান মাসে ইসরায়েলি খেজুর বয়কটের ডাক দিয়েছেন কলকাতার ফল ব্যবসায়ীরা। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় পাইকারি ফলের বাজার মেছুয়া ফলপট্টির ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের মতে, মানবতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কোনো দেশের পণ্য এই পবিত্র মাসে বাজারে স্থান পাবে না।

পাইকারি ফল বিক্রেতাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কলকাতাসহ গোটা পশ্চিমবঙ্গের বাজারে ইসরায়েলি খেজুরের সরবরাহ বন্ধ রাখতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নজরদারি চালিয়ে দেখা গেছে, কিছু অসাধু চক্র ‘কিং সলেমান’, ‘রিচ কান্ট্রি’ বা ‘জর্ডানের খেজুর’—এমন ভিন্ন নামে মোড়ক বদলে ইসরায়েলি খেজুর বাজারে ছাড়ার চেষ্টা করেছিল। তবে ব্যবসায়ীদের তৎপরতায় সেই প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে এবং মুম্বাই থেকে আসা শত শত খেজুরের কার্টন ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের এই সাহসী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। ইসরায়েলি খেজুরের পরিবর্তে রোজাদাররা এখন ভারতসহ ইরাক, ইরান, সৌদি আরব, আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়া থেকে আসা খেজুরের ওপর নির্ভর করছেন। অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন, ভিন্ন নামে ইসরায়েলি পণ্য বিক্রির আশঙ্কা থাকায় তারা এই রমজানে দেশি খেজুর কেনাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

মেছুয়া ফলপট্টির ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যাতে কেউ এই নিষিদ্ধ সামগ্রী বিক্রি করতে না পারে, সেজন্য তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবেন। এই বয়কট আন্দোলনের মাধ্যমে তারা গাজায় সাধারণ মানুষের ওপর চলা নিপীড়নের বিরুদ্ধে নিজেদের সংহতি প্রকাশ করছেন।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

সিলেটে সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়িতে হামলা, ভেঙে গেছে পেছনের কাচ

রমজানে ইসরায়েলি খেজুর বয়কটের ডাক কলকাতার ব্যবসায়ীদের

Update Time : ০৮:৫৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাজায় সহিংসতার প্রতিবাদে পবিত্র রমজান মাসে ইসরায়েলি খেজুর বয়কটের ডাক দিয়েছেন কলকাতার ফল ব্যবসায়ীরা। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় পাইকারি ফলের বাজার মেছুয়া ফলপট্টির ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের মতে, মানবতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কোনো দেশের পণ্য এই পবিত্র মাসে বাজারে স্থান পাবে না।

পাইকারি ফল বিক্রেতাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কলকাতাসহ গোটা পশ্চিমবঙ্গের বাজারে ইসরায়েলি খেজুরের সরবরাহ বন্ধ রাখতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নজরদারি চালিয়ে দেখা গেছে, কিছু অসাধু চক্র ‘কিং সলেমান’, ‘রিচ কান্ট্রি’ বা ‘জর্ডানের খেজুর’—এমন ভিন্ন নামে মোড়ক বদলে ইসরায়েলি খেজুর বাজারে ছাড়ার চেষ্টা করেছিল। তবে ব্যবসায়ীদের তৎপরতায় সেই প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে এবং মুম্বাই থেকে আসা শত শত খেজুরের কার্টন ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের এই সাহসী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। ইসরায়েলি খেজুরের পরিবর্তে রোজাদাররা এখন ভারতসহ ইরাক, ইরান, সৌদি আরব, আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়া থেকে আসা খেজুরের ওপর নির্ভর করছেন। অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন, ভিন্ন নামে ইসরায়েলি পণ্য বিক্রির আশঙ্কা থাকায় তারা এই রমজানে দেশি খেজুর কেনাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

মেছুয়া ফলপট্টির ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যাতে কেউ এই নিষিদ্ধ সামগ্রী বিক্রি করতে না পারে, সেজন্য তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবেন। এই বয়কট আন্দোলনের মাধ্যমে তারা গাজায় সাধারণ মানুষের ওপর চলা নিপীড়নের বিরুদ্ধে নিজেদের সংহতি প্রকাশ করছেন।