৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাকেরগঞ্জে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম: হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, ওসির বিরুদ্ধেও বিস্ফোরক দাবি

বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি ইউনিয়নে ছাত্রদলের এক নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। আহত ফাহাদ খান চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (০২ মার্চ ২০২৬) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে ফাহাদ খানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করেন। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তিনি গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত ফাহাদ খানের অভিযোগ, স্থানীয় আওয়ামী লীগের সদস্য আরিফ খান (পিতা: পান্নু খান), রিয়াজ কাজি, মেম্বার আমিনুল ইসলাম রানা, মো. বাপ্পি, সাকিলসহ আরও ৪/৫ জন এ হামলায় জড়িত। তার দাবি, কয়েকদিন আগে ডিস ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে।

এ ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার রানার বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ফাহাদ। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করানো হয়ে থাকতে পারে। অতীতে ওই ওসিকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের পক্ষে কাজ করতে দেখা গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে রিয়াজ কাজী নামে একজন কে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

বাকেরগঞ্জে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম: হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, ওসির বিরুদ্ধেও বিস্ফোরক দাবি

Update Time : ০৯:০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি ইউনিয়নে ছাত্রদলের এক নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। আহত ফাহাদ খান চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (০২ মার্চ ২০২৬) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে ফাহাদ খানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করেন। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তিনি গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত ফাহাদ খানের অভিযোগ, স্থানীয় আওয়ামী লীগের সদস্য আরিফ খান (পিতা: পান্নু খান), রিয়াজ কাজি, মেম্বার আমিনুল ইসলাম রানা, মো. বাপ্পি, সাকিলসহ আরও ৪/৫ জন এ হামলায় জড়িত। তার দাবি, কয়েকদিন আগে ডিস ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে।

এ ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার রানার বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ফাহাদ। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করানো হয়ে থাকতে পারে। অতীতে ওই ওসিকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের পক্ষে কাজ করতে দেখা গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে রিয়াজ কাজী নামে একজন কে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে।