ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-এর লতিফ হলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, শিবিরের কর্মীরা হলে ঢুকে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা রুমে প্রবেশ করে এক ছাত্রদল কর্মীকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হামলার পর ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা এ ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক ও পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তাদের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সহিংসতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে, কিছু গণমাধ্যমে ঘটনাটি “ছাত্রদল বনাম সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন—যদি এটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়ে থাকে, তাহলে হামলায় শিবিরের সদস্যরা আহত হলো কীভাবে? প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তিকর বর্ণনা দেওয়া গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তারা মন্তব্য করেন। তারা সঠিক ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে মেহেদী সজীবের আত্মপ্রকাশের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। শিক্ষার্থীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন আড়ালে থেকে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো হয়েছে, যা শিক্ষা পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাঙ্গনে সংঘাতমুখী ও সহিংস রাজনীতি পরিহার করে প্রকাশ্য, ইতিবাচক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক চর্চা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা বলেন, “শিক্ষাঙ্গনকে রক্তাক্ত করার রাজনীতি বন্ধ হোক। ক্যাম্পাস হোক নিরাপদ, সন্ত্রাসমুক্ত ও শিক্ষাবান্ধব।”
মোঃ জহিরুল ইসলাম 























