বাকেরগঞ্জ উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি রাঙ্গামাটি নদীর উপর নির্মাণাধীন গোমা সেতু অবশেষে প্রায় এক দশক পর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১৫ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুটি উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আজ সকালে বাকেরগঞ্জ উপজেলার সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন “গর্বের বাকেরগঞ্জ”-এর সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন মোহন তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে সকলকে অবহিত করেন।
পোস্টটি প্রকাশের পরপরই খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তেই পুরো বাকেরগঞ্জ জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। উপজেলার হাট-বাজার, গ্রাম, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি ও গ্রুপে এখন একটাই আলোচনার বিষয়—গোমা সেতুর উদ্বোধন।
স্থানীয়রা বলছেন, এতদিন রাঙ্গামাটি নদী পারাপারের জন্য খেয়া ঘাটই ছিল একমাত্র ভরসা। এতে প্রতিদিন যাতায়াতের সময় খেয়া ঘাটে টোল আদায়ের নামে দীর্ঘদিন ধরে নানা হয়রানির শিকার হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। ফলে সেতুটি চালু হলে উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বলে আশা করছেন তারা।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেতুটি উদ্বোধনের আগেই গোমা সেতুতে টোল চালুর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি সেতুটির নাম বরিশালের এক ব্যক্তির নামে নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্ট মহলের মাধ্যমে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে স্থানীয়দের অনেকেই মত দিয়েছেন, বাকেরগঞ্জের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির ফসল এই সেতুর নাম স্থানীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নির্ধারণ করা উচিত।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত সেতুটি চালু হলে বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে এবং মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।
স্টাফ রিপোর্টার 



















