৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার ইমির হাইকোর্টে জামিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ কয়েকজন। পরে রিকশায় করে মাইকে ভাষণ বাজানোর সময় ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের, মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ, এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার আহ্বায়ক তাহমিদ আল মুদ্দাসিরসহ শিক্ষার্থীদের একটি দল এতে বাধা দেয়।

একপর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী রিকশাসহ শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি এবং আরও একজনকে জোর করে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশ তাদের আটক করে রাখে।

পরদিন আটক তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে শাহবাগ থানায় দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

২৭২ রানেই অলআউট বাংলাদেশ, ওয়ারিক্যানের ৫ উইকেট

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার ইমির হাইকোর্টে জামিন

Update Time : ১১:৫১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ কয়েকজন। পরে রিকশায় করে মাইকে ভাষণ বাজানোর সময় ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের, মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ, এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার আহ্বায়ক তাহমিদ আল মুদ্দাসিরসহ শিক্ষার্থীদের একটি দল এতে বাধা দেয়।

একপর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী রিকশাসহ শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি এবং আরও একজনকে জোর করে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশ তাদের আটক করে রাখে।

পরদিন আটক তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে শাহবাগ থানায় দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।