১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈদ্যুতিক মিটারে অগ্নিকাণ্ড, ৩ ঘণ্টা পেরোলেও ঘটনাস্থলে পৌঁছেনি বাকেরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১০নং গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড খয়রাবাদ গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সাইফুল ইসলাম খানের বসতঘরে আজ ১০ জুন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ১৫ মিনিটে বৈদ্যুতিক মিটারে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিটার থেকে আগুনের স্ফুলিঙ্গ ও ধোঁয়া বের হতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। পরে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাটির পর ০১৭৬৯-৪০০৮৬১ নম্বরে বারবার ফোন করে অনুরোধ জানানোর পর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রায় ৩ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও বাকেরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী ঘটনাস্থলে পৌঁছাননি।

এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে বাকেরগঞ্জ দর্পণের পক্ষ থেকে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বাকেরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো কল রিসিভ করা হয়নি।

ঘটনার বিষয়ে সামাজিক সংগঠন গর্বের বাকেরগঞ্জ-এর উপজেলা শাখার সমন্বয়ক আফজাল হোসেন গাজী বলেন, “আজ সকালে চরামদ্দি এলাকায় বিদ্যুতের কারণে একজনের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আবার সন্ধ্যায় গারুড়িয়ায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বাকেরগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীলদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং গ্রাহকদের যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দ্রুত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের সেবাদান আরও কার্যকর করতে হবে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের রোগীদের জন্য ৬ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশ

বৈদ্যুতিক মিটারে অগ্নিকাণ্ড, ৩ ঘণ্টা পেরোলেও ঘটনাস্থলে পৌঁছেনি বাকেরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ

Update Time : ০৮:৫৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১০নং গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড খয়রাবাদ গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সাইফুল ইসলাম খানের বসতঘরে আজ ১০ জুন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ১৫ মিনিটে বৈদ্যুতিক মিটারে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিটার থেকে আগুনের স্ফুলিঙ্গ ও ধোঁয়া বের হতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। পরে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাটির পর ০১৭৬৯-৪০০৮৬১ নম্বরে বারবার ফোন করে অনুরোধ জানানোর পর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রায় ৩ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও বাকেরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী ঘটনাস্থলে পৌঁছাননি।

এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে বাকেরগঞ্জ দর্পণের পক্ষ থেকে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বাকেরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো কল রিসিভ করা হয়নি।

ঘটনার বিষয়ে সামাজিক সংগঠন গর্বের বাকেরগঞ্জ-এর উপজেলা শাখার সমন্বয়ক আফজাল হোসেন গাজী বলেন, “আজ সকালে চরামদ্দি এলাকায় বিদ্যুতের কারণে একজনের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আবার সন্ধ্যায় গারুড়িয়ায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বাকেরগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীলদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং গ্রাহকদের যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দ্রুত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের সেবাদান আরও কার্যকর করতে হবে।