০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তাৎক্ষণিক জরিমানার ক্ষমতা, সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা

সরকার ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ জারি করে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সরাসরি জরিমানা করার ক্ষমতা দিয়েছে। শব্দের নির্ধারিত মানমাত্রা অতিক্রম করলে সার্জেন্ট বা তার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবেন। জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট মোটরযান তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা যাবে।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, যানবাহনে নির্ধারিত ডেসিবেল সীমার বেশি শব্দ উৎপাদনকারী হর্ন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দুই ও তিন চাকার হালকা যানসহ মোটরকার ও মাইক্রোবাসে সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা ৮৫ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে। মিনিবাস ও মাঝারি ট্রাকে ৯০ ডেসিবেল এবং ভারী যানবাহনে সর্বোচ্চ ১০০ ডেসিবেল শব্দের সীমা নির্ধারিত রয়েছে।

এ ছাড়া নীরব, আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকার জন্য আলাদা শব্দমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত সময়কে রাত হিসেবে গণ্য করে এ সময়ে লাউডস্পিকার, মাইক ও উচ্চ শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

নীরব এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে মাইক ও লাউডস্পিকার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি আবাসিক এলাকায় রাতের বেলায় নির্মাণকাজে উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মতে, পুলিশকে এই ক্ষমতা দেওয়ায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগ আরও কার্যকর হবে। সচেতনতা ও কঠোর নজরদারির মাধ্যমে নাগরিকদের শব্দদূষণের দুর্ভোগ কমবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পরিবেশবাদীরা।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

রাজশাহীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাকেরগঞ্জের মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তাৎক্ষণিক জরিমানার ক্ষমতা, সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা

Update Time : ০৯:৫৯:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

সরকার ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ জারি করে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সরাসরি জরিমানা করার ক্ষমতা দিয়েছে। শব্দের নির্ধারিত মানমাত্রা অতিক্রম করলে সার্জেন্ট বা তার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবেন। জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট মোটরযান তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা যাবে।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, যানবাহনে নির্ধারিত ডেসিবেল সীমার বেশি শব্দ উৎপাদনকারী হর্ন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দুই ও তিন চাকার হালকা যানসহ মোটরকার ও মাইক্রোবাসে সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা ৮৫ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে। মিনিবাস ও মাঝারি ট্রাকে ৯০ ডেসিবেল এবং ভারী যানবাহনে সর্বোচ্চ ১০০ ডেসিবেল শব্দের সীমা নির্ধারিত রয়েছে।

এ ছাড়া নীরব, আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকার জন্য আলাদা শব্দমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত সময়কে রাত হিসেবে গণ্য করে এ সময়ে লাউডস্পিকার, মাইক ও উচ্চ শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

নীরব এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে মাইক ও লাউডস্পিকার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি আবাসিক এলাকায় রাতের বেলায় নির্মাণকাজে উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মতে, পুলিশকে এই ক্ষমতা দেওয়ায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগ আরও কার্যকর হবে। সচেতনতা ও কঠোর নজরদারির মাধ্যমে নাগরিকদের শব্দদূষণের দুর্ভোগ কমবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পরিবেশবাদীরা।