বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দাদুর হাট এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহমান নামে এক সাধারণ গ্রাহকের নামে জুলাই মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৮ টাকা। একজন সাধারণ আবাসিক গ্রাহকের নামে এমন অস্বাভাবিক অঙ্কের বিল আসায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, একটি সাধারণ গ্রাহকের মাসিক বিদ্যুৎ বিল কীভাবে ১৫ লাখ টাকারও বেশি হতে পারে? বিল প্রস্তুতের সময় মিটার রিডিং ও তথ্য যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে, এ ধরনের অস্বাভাবিক ও ভুল বিদ্যুৎ বিলের কারণে সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি ও আর্থিক ভোগান্তির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অভিযোগ রয়েছে, ভুল বিল সংশোধনের জন্য গ্রাহকদের বিদ্যুৎ অফিসে বারবার ধরনা দিতে হয়।
আব্দুর রহমানের এই বিলকে কেন্দ্র করে পুরো বাকেরগঞ্জজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি জানতে বাকেরগঞ্জ বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এনে দ্রুত তদন্ত করা হোক।
সচেতন মহলের প্রশ্ন—এমন অস্বাভাবিক বিল যদি সত্যিই হিসাবের ভুলের কারণে হয়ে থাকে, তাহলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি?
সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের তথ্য থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে তারা গ্রাহক হয়রানি বন্ধ, সঠিক মিটার রিডিং নিশ্চিতকরণ এবং ভুল বিলের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
ভুল বিল নয়, সঠিক হিসাব চাই—গ্রাহকের হয়রানি বন্ধ হোক।
মোঃ আবু সাঈদ খান 



















