বাকেরগঞ্জে মুক্তা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মামলায় একজন আসামি গ্রেপ্তার হলেও বাকি আসামিরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) মুক্তা হত্যার প্রতিবাদ ও দ্রুত বিচারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আদালতের মাধ্যমে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (টিএনও), উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিজান মিয়া, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক দিপু খানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন এবং প্রকৃত অপরাধীরা যেন আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যেতে না পারে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে হবে।
নিহতের পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন
মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিহত মুক্তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি মুক্তার দুই শিশুর খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের হাতে নগদ অর্থও তুলে দেওয়া হয়।
নিহতের স্বজনরা এ সময় মুক্তা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার দাবি করেন। পাশাপাশি মামলার বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং মুক্তার পরিবার ন্যায়বিচার পাবে।
এইচ এম রুহুল আমিন 



















