৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী মুরগি: যুক্তরাষ্ট্রের গার্টি

যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্যে শিল্পী ফ্র্যাঙ্ক টুরেকের তত্ত্বাবধানে থাকা ‘গোল্ডেন সেব্রাইট’ জাতের মুরগি গার্টি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী জীবিত মুরগি হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্বীকৃতি পেয়েছে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বরে এই স্বীকৃতি পাওয়ার সময় গার্টির বয়স ছিল ১৫ বছর ১০০ দিনের বেশি। চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তারা বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। এর আগে এই রেকর্ড ছিল যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ‘পার্ল’ এর দখলে, তবে মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে সেই রেকর্ড ভেঙে দেয় গার্টি।

গার্টির জীবন শুরু হয় ২০১০ সালের জুলাই মাসে। ওই সময় ফ্র্যাঙ্ক টুরেক অনলাইনে আটটি মুরগির বাচ্চা অর্ডার করেন, যেগুলো ২৭ জুলাই ডাকযোগে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে। সেই ছানাদের মধ্যেই একটি ছিল গার্টি।

ছোট জাতের হলেও শুরু থেকেই গার্টি ছিল বেশ চঞ্চল ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন। ফ্র্যাঙ্কের ভাষায়, সে অন্য মুরগিদের ওপর সহজেই প্রভাব বিস্তার করত এবং একসময় মোরগের মতো ডাক দিয়ে সবাইকে অবাক করে দেয়।

জীবনের এক পর্যায়ে বড় মুরগিদের আক্রমণে গুরুতর আহত হয় গার্টি। ২০২৪ সালের বড়দিনে মাথায় মারাত্মক আঘাত পেয়ে সে মৃত্যুর মুখে পড়েছিল। তবে ফ্র্যাঙ্ক টুরেকের নিবিড় পরিচর্যায় আশ্চর্যজনকভাবে সে আবার সুস্থ হয়ে ওঠে।

বর্তমানে বয়সের কারণে গার্টির দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে গেছে। তবুও দীর্ঘ জীবনের এই যাত্রায় সে এখনও বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

২৭২ রানেই অলআউট বাংলাদেশ, ওয়ারিক্যানের ৫ উইকেট

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী মুরগি: যুক্তরাষ্ট্রের গার্টি

Update Time : ০২:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্যে শিল্পী ফ্র্যাঙ্ক টুরেকের তত্ত্বাবধানে থাকা ‘গোল্ডেন সেব্রাইট’ জাতের মুরগি গার্টি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী জীবিত মুরগি হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্বীকৃতি পেয়েছে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বরে এই স্বীকৃতি পাওয়ার সময় গার্টির বয়স ছিল ১৫ বছর ১০০ দিনের বেশি। চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তারা বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। এর আগে এই রেকর্ড ছিল যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ‘পার্ল’ এর দখলে, তবে মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে সেই রেকর্ড ভেঙে দেয় গার্টি।

গার্টির জীবন শুরু হয় ২০১০ সালের জুলাই মাসে। ওই সময় ফ্র্যাঙ্ক টুরেক অনলাইনে আটটি মুরগির বাচ্চা অর্ডার করেন, যেগুলো ২৭ জুলাই ডাকযোগে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে। সেই ছানাদের মধ্যেই একটি ছিল গার্টি।

ছোট জাতের হলেও শুরু থেকেই গার্টি ছিল বেশ চঞ্চল ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন। ফ্র্যাঙ্কের ভাষায়, সে অন্য মুরগিদের ওপর সহজেই প্রভাব বিস্তার করত এবং একসময় মোরগের মতো ডাক দিয়ে সবাইকে অবাক করে দেয়।

জীবনের এক পর্যায়ে বড় মুরগিদের আক্রমণে গুরুতর আহত হয় গার্টি। ২০২৪ সালের বড়দিনে মাথায় মারাত্মক আঘাত পেয়ে সে মৃত্যুর মুখে পড়েছিল। তবে ফ্র্যাঙ্ক টুরেকের নিবিড় পরিচর্যায় আশ্চর্যজনকভাবে সে আবার সুস্থ হয়ে ওঠে।

বর্তমানে বয়সের কারণে গার্টির দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে গেছে। তবুও দীর্ঘ জীবনের এই যাত্রায় সে এখনও বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস