১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি’ বাতিল নয়, পর্যালোচনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহের উর রহমান। তিনি বলেছেন, চুক্তির দ্বিতীয় সুযোগ অনুযায়ী পর্যালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘নেগোসিয়েশনে’ যেতে চান।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি’ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড—এআরটি) সই হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে। এ নিয়ে এখন ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া চলছে।

আজকের সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ চুক্তির বিষয়ে করা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জাহের উর রহমান বলেন, ‘এই চুক্তি যদি দেখেন, দেখবেন বাতিল করার অপশন (সুযোগ) আছে। এক নম্বর, ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বাতিল করে দেওয়া যাবে। দুই নম্বর হচ্ছে, এই চুক্তির মধ্যে আরেকটি কন্ডিশন (শর্ত) আছে। দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্তে পরিবর্তন করতে পারে। আমি আমার জায়গা থেকে মনে করি যে অন্তত পরে যে অপশনটা বললাম, পর্যালোচনা করা। আগে আমাদের সরকারি পর্যালোচনা করা।’

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘…প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমি এই ইস্যুতে (বিষয়ে) কথা বলেছি। আমরা সরকারের মধ্যেও এই চুক্তিটা নিয়ে কিছু পর্যালোচনা এবং চুক্তি এটা খুবই শক্তিশালী চুক্তি এবং এটা বাতিল করে দেওয়ার ইমপ্যাক্ট (প্রভাব) কী হতে পারে, নিশ্চয়ই আমরা বুঝতে পারি, কোন প্রেক্ষাপটে এই চুক্তিটা স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটাও আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু ওই যে বললাম, ওই সুযোগটা তো আমরা নিতে পারি যে এই চুক্তি রিকনসিডার (পুনর্বিবেচনা) করা কিছু কিছু জায়গায়। যে যে জায়গাগুলোকে আমরা বেশি সমস্যাজনক মনে করি, রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে মনে করছি, সেগুলো নিয়ে আমরা আগে আমাদের প্রাথমিক বিবেচনা করব। আমি আশা করি যে আমরা সে রকম একটা নেগোসিয়েশনে (দর–কষাকষি) তাদের সঙ্গে যেতে চাই। বাতিল করাটা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফে যে সংকট আছে, সেটা আবার চলে আসার সম্ভাবনা আছে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইয়াসীন।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

মাথায় পানির বোতল দিয়ে শিক্ষকের আঘাত, মুহূর্তেই জ্ঞান হারালো মুগ্ধ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

Update Time : ০৩:১৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি’ বাতিল নয়, পর্যালোচনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহের উর রহমান। তিনি বলেছেন, চুক্তির দ্বিতীয় সুযোগ অনুযায়ী পর্যালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘নেগোসিয়েশনে’ যেতে চান।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি’ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড—এআরটি) সই হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে। এ নিয়ে এখন ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া চলছে।

আজকের সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ চুক্তির বিষয়ে করা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জাহের উর রহমান বলেন, ‘এই চুক্তি যদি দেখেন, দেখবেন বাতিল করার অপশন (সুযোগ) আছে। এক নম্বর, ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বাতিল করে দেওয়া যাবে। দুই নম্বর হচ্ছে, এই চুক্তির মধ্যে আরেকটি কন্ডিশন (শর্ত) আছে। দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্তে পরিবর্তন করতে পারে। আমি আমার জায়গা থেকে মনে করি যে অন্তত পরে যে অপশনটা বললাম, পর্যালোচনা করা। আগে আমাদের সরকারি পর্যালোচনা করা।’

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘…প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমি এই ইস্যুতে (বিষয়ে) কথা বলেছি। আমরা সরকারের মধ্যেও এই চুক্তিটা নিয়ে কিছু পর্যালোচনা এবং চুক্তি এটা খুবই শক্তিশালী চুক্তি এবং এটা বাতিল করে দেওয়ার ইমপ্যাক্ট (প্রভাব) কী হতে পারে, নিশ্চয়ই আমরা বুঝতে পারি, কোন প্রেক্ষাপটে এই চুক্তিটা স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটাও আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু ওই যে বললাম, ওই সুযোগটা তো আমরা নিতে পারি যে এই চুক্তি রিকনসিডার (পুনর্বিবেচনা) করা কিছু কিছু জায়গায়। যে যে জায়গাগুলোকে আমরা বেশি সমস্যাজনক মনে করি, রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে মনে করছি, সেগুলো নিয়ে আমরা আগে আমাদের প্রাথমিক বিবেচনা করব। আমি আশা করি যে আমরা সে রকম একটা নেগোসিয়েশনে (দর–কষাকষি) তাদের সঙ্গে যেতে চাই। বাতিল করাটা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফে যে সংকট আছে, সেটা আবার চলে আসার সম্ভাবনা আছে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইয়াসীন।