০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজ বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে ‘গলা কেটে হত্যা’

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের খিয়ারপাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুর্বনা রায় (৬০) এর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে তাদের নিজ বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রাতে ঘুমাতে যান দম্পতি। রোববার ভোরে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশী দীপক নামে এক ব্যক্তি বাড়ির মূল গেটের সামনে মই লাগিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি সুর্বনা রায়কে রান্নাঘরে এবং যোগেশ চন্দ্র রায়কে ডাইনিং রুমে গলা কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয়দের জানান।

স্থানীয়রা জানান, মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় ছিলেন এলাকার রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তারা স্বামী–স্ত্রী বাড়িতে দুজনই বসবাস করতেন। তাদের দুই ছেলে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্তে পুলিশ ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু ছাইয়ুম বলেন, দুজনকেই মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোনাববর হোসেন ও উপজেলা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি বিষয়টি রংপুর গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)কেও জানানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

পড়াশোনার ফাঁকে ‘পার্ট-টাইম’ কিছু খুঁজছেন? দেখতে পারেন এই কাজগুলো

নিজ বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে ‘গলা কেটে হত্যা’

Update Time : ০১:১৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের খিয়ারপাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুর্বনা রায় (৬০) এর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে তাদের নিজ বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রাতে ঘুমাতে যান দম্পতি। রোববার ভোরে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশী দীপক নামে এক ব্যক্তি বাড়ির মূল গেটের সামনে মই লাগিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি সুর্বনা রায়কে রান্নাঘরে এবং যোগেশ চন্দ্র রায়কে ডাইনিং রুমে গলা কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয়দের জানান।

স্থানীয়রা জানান, মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় ছিলেন এলাকার রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তারা স্বামী–স্ত্রী বাড়িতে দুজনই বসবাস করতেন। তাদের দুই ছেলে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্তে পুলিশ ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু ছাইয়ুম বলেন, দুজনকেই মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোনাববর হোসেন ও উপজেলা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি বিষয়টি রংপুর গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)কেও জানানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।