নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এরপরও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসির স্বাধীন বিরোধ নিষ্পত্তিকরণ কমিটির (ডিআরসি) কাছে আপিল করে বিসিবি।
কিন্তু ডিআরসির টার্ম অব রেফারেন্সের ১.৩ ধারা অনুযায়ী, আইসিসি বোর্ড পরিচালকদের মাধ্যমে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শোনার এখতিয়ার নেই ডিআরসির। ফলে বিসিবির করা আপিল শুনানির পর্যায়েই যাচ্ছে না।
এ অবস্থায় শেষ বিকল্প হিসেবে ক্রীড়া আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে বিসিবি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছেন, আইসিসির ডিআরসিতে আপিল করাটা ছিল সব বিকল্প যাচাই করে দেখার অংশ। ডিআরসিতে অনুকূলে রায় না এলে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক কোর্ট অফ আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসেই (সিএএস) যাওয়ার পথ খোলা থাকবে।
এদিকে বিসিবির অবস্থান ও সাম্প্রতিক কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ হয়েছেন আইসিসি বোর্ডের একাধিক সদস্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সূত্র পিটিআইকে জানায়, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল আইসিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত না করেই সংবাদ সম্মেলন করায় অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বক্তব্য ও উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, কারণ আইসিসির সঙ্গে তাঁর কোনো আনুষ্ঠানিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের জেরে আইসিসির পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছে পিটিআই। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ ইতোমধ্যে দুবাই পৌঁছেছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সেখানেই বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার আইসিসির সভা শেষে বাংলাদেশকে ভারতের ভেন্যুতে খেলতে সম্মত হতে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকবে বাংলাদেশ।
ডেস্ক রিপোর্টঃ 
























