২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বামী অদলবদল চেয়ে ভারতের হাইকোর্টে দুই বোনের আবেদন

ভারতের মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের গ্বালিয়র বেঞ্চে এক ব্যতিক্রমধর্মী পারিবারিক মামলাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। দুই সহোদর বোন নিজেদের স্বামী অদলবদলের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

ঘটনার শুরু একটি হেবিয়াস কর্পাস মামলার মাধ্যমে। দতিয়ার এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ও মেয়েকে তার ভায়রাভাই অপহরণ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত পুলিশকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাজির করার নির্দেশ দেয়।

পরবর্তীতে আদালতে হাজির হলে ‘অপহৃত’ নারী জানান, তিনি স্বেচ্ছায় বোনের স্বামীর সঙ্গে গেছেন এবং তার সঙ্গেই থাকতে চান। তিনি আরও বলেন, নিজের স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো নয় এবং তিনি ইতোমধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন।

অন্যদিকে, অপর বোনও আদালতে একই ধরনের বক্তব্য দেন। তিনি জানান, নিজের স্বামীর সঙ্গে থাকতে চান না এবং বোনের স্বামীর সঙ্গেই থাকতে ইচ্ছুক। দুই বোনই আদালতের কাছে স্বামী অদলবদলের অনুমতি চান।

সব পক্ষই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বিচারপতি মন্তব্য করেন, এটি কোনো ফৌজদারি অপহরণের ঘটনা নয় বরং একটি পারিবারিক বিরোধ। আদালত তাদের পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের পরামর্শ দেয়।

শেষ পর্যন্ত হেবিয়াস কর্পাস মামলাটি খারিজ করে দেওয়া হয়। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে মাটি ফুঁড়ে বের হচ্ছে গ্যাস ও আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

স্বামী অদলবদল চেয়ে ভারতের হাইকোর্টে দুই বোনের আবেদন

Update Time : ০৪:২৫:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ভারতের মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের গ্বালিয়র বেঞ্চে এক ব্যতিক্রমধর্মী পারিবারিক মামলাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। দুই সহোদর বোন নিজেদের স্বামী অদলবদলের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

ঘটনার শুরু একটি হেবিয়াস কর্পাস মামলার মাধ্যমে। দতিয়ার এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ও মেয়েকে তার ভায়রাভাই অপহরণ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত পুলিশকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাজির করার নির্দেশ দেয়।

পরবর্তীতে আদালতে হাজির হলে ‘অপহৃত’ নারী জানান, তিনি স্বেচ্ছায় বোনের স্বামীর সঙ্গে গেছেন এবং তার সঙ্গেই থাকতে চান। তিনি আরও বলেন, নিজের স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো নয় এবং তিনি ইতোমধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন।

অন্যদিকে, অপর বোনও আদালতে একই ধরনের বক্তব্য দেন। তিনি জানান, নিজের স্বামীর সঙ্গে থাকতে চান না এবং বোনের স্বামীর সঙ্গেই থাকতে ইচ্ছুক। দুই বোনই আদালতের কাছে স্বামী অদলবদলের অনুমতি চান।

সব পক্ষই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বিচারপতি মন্তব্য করেন, এটি কোনো ফৌজদারি অপহরণের ঘটনা নয় বরং একটি পারিবারিক বিরোধ। আদালত তাদের পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের পরামর্শ দেয়।

শেষ পর্যন্ত হেবিয়াস কর্পাস মামলাটি খারিজ করে দেওয়া হয়। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা সৃষ্টি করেছে।