বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমী আক্তারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, রোগীদের খাবারের মান এবং বিশুদ্ধ পানির সংকটসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।
বুধবার (২৪ জুন) অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির অংশ হিসেবে উপজেলার কয়েকজন সাংবাদিক বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। এ সময় তারা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমী আক্তারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেন।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, উত্থাপিত বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. সুমী আক্তার প্রশ্নগুলোর সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশা নিয়েও কটূক্তিমূলক মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
ঘটনাটি স্থানীয় সচেতন মহলেও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তাদের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, সেবার মান এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো জনগণের কাছে তুলে ধরতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো ধরনের অসহযোগিতামূলক বা অসম্মানজনক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ডা. সুমী আক্তারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস. এম. মঞ্জুর-এ-এলাহী বলেন, “একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সাংবাদিকদের তথ্যগত সহযোগিতা করা স্বাভাবিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। যদি সাংবাদিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে থাকেন, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই দুঃখজনক। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”
স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযোগের নিরপেক্ষ যাচাই এবং ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের সঙ্গে দায়িত্বশীল ও পেশাদার আচরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
মোঃ জহিরুল ইসলাম 



















