২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের একদিন পর মসজিদে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ, দেখার পর মামার মৃত্যু

নীলফামারীর ডিমলায় বিয়ের মাত্র একদিন পরই আব্দুল মালেক (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ দেখতে এসে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন তার মামা আহিদুল ইসলাম (৪০)।

বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের মুনাকাশা কাকড়া চৌপতি জামে মসজিদে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আব্দুল মালেক ওই এলাকার মুনাকাশা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। তিনি মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার আব্দুল মালেকের বিয়ে হয়। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরের ছাদের কাঠামোর সঙ্গে আব্দুল মালেককে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ভাগনের এমন মৃত্যুর খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান তার মামা আহিদুল ইসলাম। পরে লাশ দেখতে এসে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিমলা থানার ওসি শওকত আলী জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মুয়াজ্জিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে মাটি ফুঁড়ে বের হচ্ছে গ্যাস ও আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

বিয়ের একদিন পর মসজিদে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ, দেখার পর মামার মৃত্যু

Update Time : ০৪:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীর ডিমলায় বিয়ের মাত্র একদিন পরই আব্দুল মালেক (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ দেখতে এসে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন তার মামা আহিদুল ইসলাম (৪০)।

বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের মুনাকাশা কাকড়া চৌপতি জামে মসজিদে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আব্দুল মালেক ওই এলাকার মুনাকাশা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। তিনি মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার আব্দুল মালেকের বিয়ে হয়। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরের ছাদের কাঠামোর সঙ্গে আব্দুল মালেককে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ভাগনের এমন মৃত্যুর খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান তার মামা আহিদুল ইসলাম। পরে লাশ দেখতে এসে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিমলা থানার ওসি শওকত আলী জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মুয়াজ্জিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।