২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, আতঙ্কে পশ্চিম চর রঘুনাদ্দির মানুষ

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর ফরিদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম চর রঘুনাদ্দি এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত ভাঙনে একের পর এক বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ও টেকসই কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই নদীর পাড় ভেঙে নতুন নতুন এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার তাদের বসতভিটা হারানোর আশঙ্কায় ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরও বহু ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। এতে শুধু বসতভিটাই নয়, এলাকার মানুষের জীবিকা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদীভাঙনের কারণে তারা প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। কখন কার ঘরবাড়ি নদীতে চলে যায়, সেই দুশ্চিন্তায় রাত কাটছে অনেক পরিবারের। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

এলাকাবাসী নদীভাঙন রোধে জিওব্যাগ ফেলা, প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নদীতীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করে তাদের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পশ্চিম চর রঘুনাদ্দি এলাকা পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে মাটি ফুঁড়ে বের হচ্ছে গ্যাস ও আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, আতঙ্কে পশ্চিম চর রঘুনাদ্দির মানুষ

Update Time : ০৯:০৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর ফরিদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম চর রঘুনাদ্দি এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত ভাঙনে একের পর এক বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ও টেকসই কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই নদীর পাড় ভেঙে নতুন নতুন এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার তাদের বসতভিটা হারানোর আশঙ্কায় ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরও বহু ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। এতে শুধু বসতভিটাই নয়, এলাকার মানুষের জীবিকা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদীভাঙনের কারণে তারা প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। কখন কার ঘরবাড়ি নদীতে চলে যায়, সেই দুশ্চিন্তায় রাত কাটছে অনেক পরিবারের। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

এলাকাবাসী নদীভাঙন রোধে জিওব্যাগ ফেলা, প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নদীতীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করে তাদের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পশ্চিম চর রঘুনাদ্দি এলাকা পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।