১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে হাফেজ মো. মনির হোসেন (৩২) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টায় দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদে বলাৎকারের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশের সময় তাকে আটক করা হয়।

এর আগে, সোমবার দিবাগত রাতে দোল্লাই নবাবপুর বাজার এলাকায় নবাবপুর মারকাযুন নূর মাদ্রাসায় নূরানী বিভাগের এক ছাত্রকে বলাৎকার করে শিক্ষক।

অভিযুক্ত হাফেজ মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন এর ছেলে।

ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী জানায়, শিক্ষক মনির হোসেন সোমবার রাতে মাথা ও পা ম্যাসেজ করে দেওয়ার কথা বলে নূরানী বিভাগের ওই ছাত্রকে ডেকে রুমে নিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ওই ছাত্র বাড়ি গিয়ে তার পরিবারকে জানানোর পর স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হাফেজ মনির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে বিক্ষুবদ্ধ জনতা তাকে কিল-ঘুষি দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসে। সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞাসহ এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি আপোষ নিষ্পত্তি করার লক্ষ্যে গ্রাম্য সালিশে বসলে হাজির হয় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। তারা বিষয়টি জেনে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাকে আটক করে।

বলাৎকারের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশ করার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞা বলেন, দুই পক্ষ আমার পরিষদে এসে মীমাংসা করতে চাইলে আমরা গ্রাম্য সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় ভূক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

সাবেক এমপি কারাগারেই ব্যবহার করছিলেন ফোন, মিলল কয়েক ডজন পর্নো ভিডিও

শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক আটক

Update Time : ১১:১২:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লার চান্দিনায় এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে হাফেজ মো. মনির হোসেন (৩২) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টায় দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদে বলাৎকারের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশের সময় তাকে আটক করা হয়।

এর আগে, সোমবার দিবাগত রাতে দোল্লাই নবাবপুর বাজার এলাকায় নবাবপুর মারকাযুন নূর মাদ্রাসায় নূরানী বিভাগের এক ছাত্রকে বলাৎকার করে শিক্ষক।

অভিযুক্ত হাফেজ মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন এর ছেলে।

ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী জানায়, শিক্ষক মনির হোসেন সোমবার রাতে মাথা ও পা ম্যাসেজ করে দেওয়ার কথা বলে নূরানী বিভাগের ওই ছাত্রকে ডেকে রুমে নিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ওই ছাত্র বাড়ি গিয়ে তার পরিবারকে জানানোর পর স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হাফেজ মনির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে বিক্ষুবদ্ধ জনতা তাকে কিল-ঘুষি দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসে। সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞাসহ এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি আপোষ নিষ্পত্তি করার লক্ষ্যে গ্রাম্য সালিশে বসলে হাজির হয় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। তারা বিষয়টি জেনে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাকে আটক করে।

বলাৎকারের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশ করার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞা বলেন, দুই পক্ষ আমার পরিষদে এসে মীমাংসা করতে চাইলে আমরা গ্রাম্য সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় ভূক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।