২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ বছর পর খুলছে ওসমানী উদ্যান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রায় এক দশক বন্ধ থাকার পর অবশেষে রাজধানীবাসীর জন্য উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যান। আগামী ১৯ অক্টোবর উদ্যানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন উদ্যানের পাশাপাশি এর ভেতরে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’-এরও উদ্বোধন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ ও বিভিন্ন জটিলতার কারণে উদ্যানটিতে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার বন্ধ ছিল। এতে রাজধানীর ব্যস্ততম পরিবেশের মধ্যে সবুজের সান্নিধ্য ও অবসর কাটানোর অন্যতম স্থান থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন নগরবাসী। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও নান্দনিক সাজসজ্জায় নতুন রূপে ফিরছে ঐতিহাসিক এই উদ্যান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ অক্টোবরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এ উপলক্ষে উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

সবুজে ঘেরা আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র
সংস্কার ও উন্নয়নকাজের মাধ্যমে ওসমানী উদ্যানকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। উদ্যানটিতে আধুনিক হাঁটার পথ, সবুজায়ন, দর্শনার্থীদের বসার ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত আলোর সংস্থান করা হয়েছে। এসব সুবিধা রাজধানীবাসীর অবসর বিনোদন ও শরীরচর্চার জন্য উদ্যানটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নগরজীবনের কর্মব্যস্ততা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে উন্মুক্ত সবুজ পরিবেশের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সময় কাটানোর জন্য এমন উন্মুক্ত স্থান নগরবাসীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে স্মরণ করা হবে শহীদদের
ওসমানী উদ্যানের ভেতরে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধনকে ঘিরেও রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং তাঁদের আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্মৃতিস্তম্ভটি নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগ তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ওসমানী উদ্যান খুলে দেওয়ার খবরে রাজধানীবাসীর মধ্যে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সবুজ পরিবেশ ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধার সমন্বয়ে উদ্যানটি ঢাকাবাসীর অন্যতম আকর্ষণীয় উন্মুক্ত স্থানে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পর থেকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উদ্যানটি উন্মুক্ত রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে মাটি ফুঁড়ে বের হচ্ছে গ্যাস ও আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

১০ বছর পর খুলছে ওসমানী উদ্যান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Update Time : ০৩:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

প্রায় এক দশক বন্ধ থাকার পর অবশেষে রাজধানীবাসীর জন্য উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যান। আগামী ১৯ অক্টোবর উদ্যানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন উদ্যানের পাশাপাশি এর ভেতরে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’-এরও উদ্বোধন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ ও বিভিন্ন জটিলতার কারণে উদ্যানটিতে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার বন্ধ ছিল। এতে রাজধানীর ব্যস্ততম পরিবেশের মধ্যে সবুজের সান্নিধ্য ও অবসর কাটানোর অন্যতম স্থান থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন নগরবাসী। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও নান্দনিক সাজসজ্জায় নতুন রূপে ফিরছে ঐতিহাসিক এই উদ্যান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ অক্টোবরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এ উপলক্ষে উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

সবুজে ঘেরা আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র
সংস্কার ও উন্নয়নকাজের মাধ্যমে ওসমানী উদ্যানকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। উদ্যানটিতে আধুনিক হাঁটার পথ, সবুজায়ন, দর্শনার্থীদের বসার ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত আলোর সংস্থান করা হয়েছে। এসব সুবিধা রাজধানীবাসীর অবসর বিনোদন ও শরীরচর্চার জন্য উদ্যানটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নগরজীবনের কর্মব্যস্ততা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে উন্মুক্ত সবুজ পরিবেশের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সময় কাটানোর জন্য এমন উন্মুক্ত স্থান নগরবাসীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে স্মরণ করা হবে শহীদদের
ওসমানী উদ্যানের ভেতরে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধনকে ঘিরেও রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং তাঁদের আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্মৃতিস্তম্ভটি নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগ তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ওসমানী উদ্যান খুলে দেওয়ার খবরে রাজধানীবাসীর মধ্যে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সবুজ পরিবেশ ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধার সমন্বয়ে উদ্যানটি ঢাকাবাসীর অন্যতম আকর্ষণীয় উন্মুক্ত স্থানে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পর থেকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উদ্যানটি উন্মুক্ত রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।