০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়েবাড়িতে হঠাৎ শোকের ছায়া, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কনের মায়ের মৃত্যু

বাড়িতে মেয়ের গায়েহলুদের আয়োজন। আত্মীয়স্বজন আসতে শুরু করেছেন। রান্নাবান্না আর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সবাই। আনন্দ-উৎসবের সেই ঘরে হঠাৎ নেমে এল শোকের ছায়া। গোয়ালঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন কনের মা দীপিকা সানা।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ঘুঘুমারি গ্রামে এ ঘটনা। দীপিকা স্থানীয় কৃষক দেবাশীষ সানার স্ত্রী।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীপিকা দুপুরের দিকে গরুর দুধ দোহাতে গোয়ালঘরে যান। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে থাকা বৈদ্যুতিক লাইনে ক্রুটি ছিল। সেটির সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সেখানে পড়ে ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পেরে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে দেখতে পান তিনি মারা গেছেন।

স্থানীয় সমাজকর্মী কৃষ্ণ ব্যানার্জী বলেন, বাড়িতে বিয়ের আয়োজন চলছিল। এমন সময়ে এ দুর্ঘটনা পুরো গ্রামকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, দীপিকা ও দেবাশীষ দম্পতির তিন সন্তান অভীক, অর্পিতা ও অর্ণব (৯)। দ্বিতীয় সন্তান অর্পিতার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। বাড়িতে চলছিল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। গতকাল ছিল গায়েহলুদের অনুষ্ঠান। আজ বুধবার বিয়ের কথা ছিল। সেই বাড়িতে এমন ঘটনায় সবাই শোকাহত।খাজরা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্থানীয় লোকজনের প্রতি আহ্বান জানান।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

রাজশাহীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাকেরগঞ্জের মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

বিয়েবাড়িতে হঠাৎ শোকের ছায়া, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কনের মায়ের মৃত্যু

Update Time : ১০:৫০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

বাড়িতে মেয়ের গায়েহলুদের আয়োজন। আত্মীয়স্বজন আসতে শুরু করেছেন। রান্নাবান্না আর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সবাই। আনন্দ-উৎসবের সেই ঘরে হঠাৎ নেমে এল শোকের ছায়া। গোয়ালঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন কনের মা দীপিকা সানা।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ঘুঘুমারি গ্রামে এ ঘটনা। দীপিকা স্থানীয় কৃষক দেবাশীষ সানার স্ত্রী।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীপিকা দুপুরের দিকে গরুর দুধ দোহাতে গোয়ালঘরে যান। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে থাকা বৈদ্যুতিক লাইনে ক্রুটি ছিল। সেটির সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সেখানে পড়ে ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পেরে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে দেখতে পান তিনি মারা গেছেন।

স্থানীয় সমাজকর্মী কৃষ্ণ ব্যানার্জী বলেন, বাড়িতে বিয়ের আয়োজন চলছিল। এমন সময়ে এ দুর্ঘটনা পুরো গ্রামকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, দীপিকা ও দেবাশীষ দম্পতির তিন সন্তান অভীক, অর্পিতা ও অর্ণব (৯)। দ্বিতীয় সন্তান অর্পিতার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। বাড়িতে চলছিল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। গতকাল ছিল গায়েহলুদের অনুষ্ঠান। আজ বুধবার বিয়ের কথা ছিল। সেই বাড়িতে এমন ঘটনায় সবাই শোকাহত।খাজরা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্থানীয় লোকজনের প্রতি আহ্বান জানান।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।