০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মংলায় চিংড়ি চাষে মৌসুমের শুরু, ঘেরে চলছে প্রস্তুতি ও পোনা ছাড়ার কার্যক্রম

বাগেরহাটের মংলা উপকূলীয় অঞ্চলে এপ্রিল মাস এলেই শুরু হয় চিংড়ি চাষের নতুন মৌসুমের প্রস্তুতি। চলতি সময়ে ঘেরগুলোতে পানি তোলা, লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং পোস্ট লার্ভা (পোনা) ছাড়ার কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূলীয় এলাকার অনেক চাষি ইতোমধ্যেই ঘেরে পোনা ছেড়ে প্রাথমিক পর্যায়ের চাষ শুরু করেছেন। অন্যদিকে, কিছু চাষি এখনও ঘের প্রস্তুতির কাজ শেষ করতে ব্যস্ত রয়েছেন। ঘেরের পানি ব্যবস্থাপনা ও উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি নিশ্চিত করতে তারা দিনরাত কাজ করছেন।

চাষিরা জানান, এ সময় ঘেরে সঠিক লবণাক্ততা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ওপর নির্ভর করে চিংড়ির বৃদ্ধি ও উৎপাদন। তাই অভিজ্ঞ চাষিরা আগেভাগেই পানি তোলা ও ঘের প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছেন।

মংলাসহ বাগেরহাট অঞ্চলে চিংড়ি চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে পরিচিত। এখানে হাজার হাজার ঘেরে প্রতি বছর চিংড়ি চাষ হয় এবং দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক ব্যবস্থাপনা বজায় থাকলে চলতি মৌসুমে ভালো উৎপাদন হবে এবং চাষিরা লাভবান হবেন।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

একসঙ্গে র‍্যালি করলেন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকরা, বিতরণ হলো আজওয়া খেজুর-সেভেন আপ

মংলায় চিংড়ি চাষে মৌসুমের শুরু, ঘেরে চলছে প্রস্তুতি ও পোনা ছাড়ার কার্যক্রম

Update Time : ০৩:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বাগেরহাটের মংলা উপকূলীয় অঞ্চলে এপ্রিল মাস এলেই শুরু হয় চিংড়ি চাষের নতুন মৌসুমের প্রস্তুতি। চলতি সময়ে ঘেরগুলোতে পানি তোলা, লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং পোস্ট লার্ভা (পোনা) ছাড়ার কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূলীয় এলাকার অনেক চাষি ইতোমধ্যেই ঘেরে পোনা ছেড়ে প্রাথমিক পর্যায়ের চাষ শুরু করেছেন। অন্যদিকে, কিছু চাষি এখনও ঘের প্রস্তুতির কাজ শেষ করতে ব্যস্ত রয়েছেন। ঘেরের পানি ব্যবস্থাপনা ও উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি নিশ্চিত করতে তারা দিনরাত কাজ করছেন।

চাষিরা জানান, এ সময় ঘেরে সঠিক লবণাক্ততা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ওপর নির্ভর করে চিংড়ির বৃদ্ধি ও উৎপাদন। তাই অভিজ্ঞ চাষিরা আগেভাগেই পানি তোলা ও ঘের প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছেন।

মংলাসহ বাগেরহাট অঞ্চলে চিংড়ি চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে পরিচিত। এখানে হাজার হাজার ঘেরে প্রতি বছর চিংড়ি চাষ হয় এবং দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক ব্যবস্থাপনা বজায় থাকলে চলতি মৌসুমে ভালো উৎপাদন হবে এবং চাষিরা লাভবান হবেন।