০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাকেরগঞ্জের কবাই একই ঘর থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার, ছেলে–বৌমা অচেতন

বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের লক্ষীপাশা এলাকায় একই পরিবারের তিনজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৯০ বছর বয়সী অঞ্জলি সাহাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে স্থানীয়রা ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এ দৃশ্য দেখতে পান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষীপাশা এলাকার মোল্লার বাজার সংলগ্ন ওই ঘরে বসবাস করেন প্রশান্ত কুমার ওরফে মরন সাহা, তাঁর মা অঞ্জলি সাহা এবং স্ত্রী সন্ধ্যা রানী। বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে তারা খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান। পরদিন দুপুর পর্যন্ত তাদের কাউকে বাইরে দেখা না গেলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। বাড়ির দরজা-জানালা বন্ধ অবস্থায় পেয়ে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে একপর্যায়ে তারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

ঘরে প্রবেশ করে দেখা যায়, মেঝেতে তিনজন অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। অঞ্জলি সাহাকে তখনই মৃত হিসেবে শনাক্ত করা হয়। ঘরের ভেতর মালামাল এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে–ছিটিয়ে ছিল।

অচেতন প্রশান্ত সাহা ও তাঁর স্ত্রী সন্ধ্যা রানীকে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে প্রশান্ত সাহাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সন্ধ্যা রানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার সোহেল রানা বলেন, “স্বামী–স্ত্রীকে অচেতন অবস্থায় এবং এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে।” নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

রাজশাহীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাকেরগঞ্জের মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

বাকেরগঞ্জের কবাই একই ঘর থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার, ছেলে–বৌমা অচেতন

Update Time : ০৯:৫০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের লক্ষীপাশা এলাকায় একই পরিবারের তিনজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৯০ বছর বয়সী অঞ্জলি সাহাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে স্থানীয়রা ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এ দৃশ্য দেখতে পান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষীপাশা এলাকার মোল্লার বাজার সংলগ্ন ওই ঘরে বসবাস করেন প্রশান্ত কুমার ওরফে মরন সাহা, তাঁর মা অঞ্জলি সাহা এবং স্ত্রী সন্ধ্যা রানী। বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে তারা খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান। পরদিন দুপুর পর্যন্ত তাদের কাউকে বাইরে দেখা না গেলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। বাড়ির দরজা-জানালা বন্ধ অবস্থায় পেয়ে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে একপর্যায়ে তারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

ঘরে প্রবেশ করে দেখা যায়, মেঝেতে তিনজন অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। অঞ্জলি সাহাকে তখনই মৃত হিসেবে শনাক্ত করা হয়। ঘরের ভেতর মালামাল এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে–ছিটিয়ে ছিল।

অচেতন প্রশান্ত সাহা ও তাঁর স্ত্রী সন্ধ্যা রানীকে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে প্রশান্ত সাহাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সন্ধ্যা রানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার সোহেল রানা বলেন, “স্বামী–স্ত্রীকে অচেতন অবস্থায় এবং এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে।” নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।