১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উদ্বোধনের ছয় মাসেও গোমা সেতুতে নেই সড়কবাতি, রাত নামলেই অন্ধকার

বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাঙামাটি নদীর ওপর নির্মিত গোমা সেতু উদ্বোধনের প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো স্থাপন করা হয়নি সড়কবাতি। ফলে সন্ধ্যার পর পুরো সেতু এলাকায় নেমে আসে অন্ধকার। এতে রাতের বেলায় পথচারী ও যানবাহন চালকদের চলাচলে ভোগান্তির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রায় ২৮৩ মিটার দীর্ঘ গোমা সেতুটি গত ১৭ মার্চ উদ্বোধন করা হয়। প্রায় ৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি বাকেরগঞ্জের সঙ্গে পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনের বেলায় সেতুটি যানবাহন ও পথচারীদের পদচারণায় ব্যস্ত থাকলেও সন্ধ্যা নামার পর পর্যাপ্ত আলোর অভাবে পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক মানুষ ও মোটরসাইকেল চালকদের রাতে সেতু পারাপারে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুতে আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি চুরি, ছিনতাইসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কাও বাড়ছে। এরই মধ্যে সেতুর নিরাপত্তা রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোমা সেতুর মূল প্রকল্পে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের জন্য পৃথক আর্থিক বরাদ্দ ছিল না। তবে জনস্বার্থে সেতুতে আলোর ব্যবস্থা করতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সড়কবাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুতে দ্রুত আধুনিক সড়কবাতি স্থাপন, নিরাপত্তা ও নিয়মিত তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। রাতের যাত্রীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

জনস্বার্থে দ্রুত গোমা সেতুতে সড়কবাতি স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

প্রেমের টানে বাংলাদেশে চীনা যুবক, বাকেরগঞ্জের তরুণীকে বিয়ে

উদ্বোধনের ছয় মাসেও গোমা সেতুতে নেই সড়কবাতি, রাত নামলেই অন্ধকার

Update Time : ০৪:১২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাঙামাটি নদীর ওপর নির্মিত গোমা সেতু উদ্বোধনের প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো স্থাপন করা হয়নি সড়কবাতি। ফলে সন্ধ্যার পর পুরো সেতু এলাকায় নেমে আসে অন্ধকার। এতে রাতের বেলায় পথচারী ও যানবাহন চালকদের চলাচলে ভোগান্তির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রায় ২৮৩ মিটার দীর্ঘ গোমা সেতুটি গত ১৭ মার্চ উদ্বোধন করা হয়। প্রায় ৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি বাকেরগঞ্জের সঙ্গে পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনের বেলায় সেতুটি যানবাহন ও পথচারীদের পদচারণায় ব্যস্ত থাকলেও সন্ধ্যা নামার পর পর্যাপ্ত আলোর অভাবে পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক মানুষ ও মোটরসাইকেল চালকদের রাতে সেতু পারাপারে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুতে আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি চুরি, ছিনতাইসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কাও বাড়ছে। এরই মধ্যে সেতুর নিরাপত্তা রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোমা সেতুর মূল প্রকল্পে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের জন্য পৃথক আর্থিক বরাদ্দ ছিল না। তবে জনস্বার্থে সেতুতে আলোর ব্যবস্থা করতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সড়কবাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুতে দ্রুত আধুনিক সড়কবাতি স্থাপন, নিরাপত্তা ও নিয়মিত তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। রাতের যাত্রীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

জনস্বার্থে দ্রুত গোমা সেতুতে সড়কবাতি স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।