৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৯৫ দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের মিশনে তানভীর আহামেদ

বাংলাদেশি পর্বতারোহী তানভীর আহামেদ জয় বিশ্বের ১৯৫টি দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের এক সুদূরপ্রসারী মিশনে নেমেছেন। এই দুর্দান্ত অভিযানের অংশ হিসেবে তিনি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ সাকা হাফং (আনঅফিশিয়ালি) এবং অফিশিয়ালি সর্বোচ্চ চূড়া তাজিংডং জয় করেছেন।

তিনি বান্দরবানের দুর্গম পথে টানা ৩৫ ঘণ্টা প্রায় ৮৫ কিলোমিটার ট্র্যাকিং করে এই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন। এই অনন্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের পর্বতারোহণ অঙ্গণে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।

তানভীর আহামেদ জয়ের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বিরামপুরে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর সরকারি তিতুমির কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

জয় বলেন, ‘খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ থেকে আমার যাত্রা শুরু। আমি প্রায় ছয় বছর পেশাদার ক্রিকেট খেলেছি। তবে ছোটবেলা থেকে পর্বতারোহণ আমাকে গভীরভাবে আকর্ষণ করত। বিশেষ করে বাংলাদেশের পর্বতারোহী প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী মুসা ইব্রাহিম এবং প্রথম বাংলাদেশি নারী এভারেস্ট জয়ী নিশাত মজুমদারের এভারেস্ট জয়ের দুঃসাহসিক গল্প আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে।’

জয় আরও বলেন, ‘আমি ২০২১ সাল থেকে নিয়মিতভাবে পর্বতারোহণ বিষয়ে অধ্যয়ন, প্রশিক্ষণ এবং কঠিন ট্র্যাকিং অভিযানে অংশগ্রহণ করে নিজেকে প্রস্তুত করেছি। এই প্রস্তুতির ধারাবাহিকতায় আমি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছি। আর তা হলো—২০৩৪ সালের মধ্যে বিশ্বের ১৯৫টি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় করা। পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত কেউ এভাবে ১৯৫টি দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের পূর্ণাঙ্গ মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেনি। আমি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে এই বিশ্বজয়ের অভিযাত্রা শুরু করেছি। আমার একটাই লক্ষ্য, বাংলাদেশের পতাকাকে বিশ্বের পর্বতশৃঙ্গগুলোর চূড়ায় তুলে ধরা।’

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

বাকেরগঞ্জের গারুড়িয়ায় ঝড়ের তাণ্ডবে বসতবাড়ি বিধ্বস্ত- খোলা আকাশের নিচে পরিবার

১৯৫ দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের মিশনে তানভীর আহামেদ

Update Time : ১১:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশি পর্বতারোহী তানভীর আহামেদ জয় বিশ্বের ১৯৫টি দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের এক সুদূরপ্রসারী মিশনে নেমেছেন। এই দুর্দান্ত অভিযানের অংশ হিসেবে তিনি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ সাকা হাফং (আনঅফিশিয়ালি) এবং অফিশিয়ালি সর্বোচ্চ চূড়া তাজিংডং জয় করেছেন।

তিনি বান্দরবানের দুর্গম পথে টানা ৩৫ ঘণ্টা প্রায় ৮৫ কিলোমিটার ট্র্যাকিং করে এই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন। এই অনন্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের পর্বতারোহণ অঙ্গণে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।

তানভীর আহামেদ জয়ের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বিরামপুরে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর সরকারি তিতুমির কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

জয় বলেন, ‘খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ থেকে আমার যাত্রা শুরু। আমি প্রায় ছয় বছর পেশাদার ক্রিকেট খেলেছি। তবে ছোটবেলা থেকে পর্বতারোহণ আমাকে গভীরভাবে আকর্ষণ করত। বিশেষ করে বাংলাদেশের পর্বতারোহী প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী মুসা ইব্রাহিম এবং প্রথম বাংলাদেশি নারী এভারেস্ট জয়ী নিশাত মজুমদারের এভারেস্ট জয়ের দুঃসাহসিক গল্প আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে।’

জয় আরও বলেন, ‘আমি ২০২১ সাল থেকে নিয়মিতভাবে পর্বতারোহণ বিষয়ে অধ্যয়ন, প্রশিক্ষণ এবং কঠিন ট্র্যাকিং অভিযানে অংশগ্রহণ করে নিজেকে প্রস্তুত করেছি। এই প্রস্তুতির ধারাবাহিকতায় আমি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছি। আর তা হলো—২০৩৪ সালের মধ্যে বিশ্বের ১৯৫টি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় করা। পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত কেউ এভাবে ১৯৫টি দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের পূর্ণাঙ্গ মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেনি। আমি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে এই বিশ্বজয়ের অভিযাত্রা শুরু করেছি। আমার একটাই লক্ষ্য, বাংলাদেশের পতাকাকে বিশ্বের পর্বতশৃঙ্গগুলোর চূড়ায় তুলে ধরা।’