০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতকে গুঁড়িয়ে ১৩ বছর পর যুব এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

একেবারে একতরফাই হয়ে গেল অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালটা। দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমি গ্রাউন্ডে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে রীতিমতো গুঁড়িয়ে শিরোপা জিতল পাকিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯ দল। পাকিস্তানের করা ৩৪৮ রান তাড়া করতে নেমে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দল ২৬.২ ওভারেই অলআউট ১৫৬ রানে। ১৯১ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্টের শিরোপা নিজেদের করে নিল পাকিস্তান। যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে রানের হিসেবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জয়।

ওপেনার সামির মিনহাসের রেকর্ড ১৭২ রানের ইনিংসে ভর করে পাকিস্তানের যুবারা ৮ উইকেটে ৩৪৭ রান তোলে। সামিরের ইনিংসটি যুব ওয়ানডেতে পাকিস্তানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। যুব ওয়ানডের স্বীকৃত পাওয়া এশিয়া কাপের ম্যাচগুলোতেও এটি ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। সামির ভাঙলেন এবারই সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ভারতের বৈভব সূর্যবংশীর গড়া ১৭১ রানের রেকর্ড।

৩১ রানে উদ্বোধনী জুটির সঙ্গী হামজা জহুরকে হারানোর পর উসমান খানকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ১৩.১ ওভারে ৯২ রান যোগ করেন সামির। ৪৫ বলে ৩৫ রান করে উসমানের বিদায়ের পর আহমেদ হুসেইনকে (৭২ বলে ৫৬) নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ১৩৭ রান যোগ করেন ১৯ বছর বয়সী সামির। ১১৩ বলের ইনিংসে ১৭টি চার ও ৯টি ছক্কা মারা ডানহাতি ওপেনার শেষ পর্যন্ত ফিরেছেন দলকে ৩০২ রানে রেখে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে। সামিরের আগে যুব ওয়ানডেতে পাকিস্তানিদের সর্বোচ্চ ছিল শাহজাইব খানের। গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষেই ১৫৯ করেছিলেন শাহজাইব।

তেড়েফুঁড়েই রান তাড়া শুরু করেছিল ভারতীয় যুবারা। তৃতীয় ওভারে দ্বিতীয় বলে যখন প্রথম উইকেট হারায় দলটি, তাদের রান ৩২। আউট হওয়া ব্যাটসম্যান অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রের তাতে অবদান ছিল মাত্র ২ রান। ও পাশে তখন আগুন ঝরাচ্ছিলেন বিস্ময়বালক সূর্যবংশী। ৯ বলেই ৩ ছক্কায় ২৬ রান করা তুলে ফেলা সুর্যবংশী ফেরেন পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে। ভারতের স্কোর তখন ৪৯/৩। এরপর নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানে অলআউট ভারত। দলটির ১০ নম্বর ব্যাটসম্যান দীপেশ দেবেন্দ্রন ১৬ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৬ রান না করলে ১৫০-ও হতো না ভারতের।

সূর্যবংশীকে ফেরানো পেসার আলী রাজা ৪ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সেরা বোলার।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

রাজশাহীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাকেরগঞ্জের মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

ভারতকে গুঁড়িয়ে ১৩ বছর পর যুব এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

Update Time : ০৭:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

একেবারে একতরফাই হয়ে গেল অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালটা। দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমি গ্রাউন্ডে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে রীতিমতো গুঁড়িয়ে শিরোপা জিতল পাকিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯ দল। পাকিস্তানের করা ৩৪৮ রান তাড়া করতে নেমে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দল ২৬.২ ওভারেই অলআউট ১৫৬ রানে। ১৯১ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্টের শিরোপা নিজেদের করে নিল পাকিস্তান। যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে রানের হিসেবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জয়।

ওপেনার সামির মিনহাসের রেকর্ড ১৭২ রানের ইনিংসে ভর করে পাকিস্তানের যুবারা ৮ উইকেটে ৩৪৭ রান তোলে। সামিরের ইনিংসটি যুব ওয়ানডেতে পাকিস্তানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। যুব ওয়ানডের স্বীকৃত পাওয়া এশিয়া কাপের ম্যাচগুলোতেও এটি ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। সামির ভাঙলেন এবারই সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ভারতের বৈভব সূর্যবংশীর গড়া ১৭১ রানের রেকর্ড।

৩১ রানে উদ্বোধনী জুটির সঙ্গী হামজা জহুরকে হারানোর পর উসমান খানকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ১৩.১ ওভারে ৯২ রান যোগ করেন সামির। ৪৫ বলে ৩৫ রান করে উসমানের বিদায়ের পর আহমেদ হুসেইনকে (৭২ বলে ৫৬) নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ১৩৭ রান যোগ করেন ১৯ বছর বয়সী সামির। ১১৩ বলের ইনিংসে ১৭টি চার ও ৯টি ছক্কা মারা ডানহাতি ওপেনার শেষ পর্যন্ত ফিরেছেন দলকে ৩০২ রানে রেখে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে। সামিরের আগে যুব ওয়ানডেতে পাকিস্তানিদের সর্বোচ্চ ছিল শাহজাইব খানের। গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষেই ১৫৯ করেছিলেন শাহজাইব।

তেড়েফুঁড়েই রান তাড়া শুরু করেছিল ভারতীয় যুবারা। তৃতীয় ওভারে দ্বিতীয় বলে যখন প্রথম উইকেট হারায় দলটি, তাদের রান ৩২। আউট হওয়া ব্যাটসম্যান অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রের তাতে অবদান ছিল মাত্র ২ রান। ও পাশে তখন আগুন ঝরাচ্ছিলেন বিস্ময়বালক সূর্যবংশী। ৯ বলেই ৩ ছক্কায় ২৬ রান করা তুলে ফেলা সুর্যবংশী ফেরেন পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে। ভারতের স্কোর তখন ৪৯/৩। এরপর নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানে অলআউট ভারত। দলটির ১০ নম্বর ব্যাটসম্যান দীপেশ দেবেন্দ্রন ১৬ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৬ রান না করলে ১৫০-ও হতো না ভারতের।

সূর্যবংশীকে ফেরানো পেসার আলী রাজা ৪ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সেরা বোলার।